কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

রান্নাঘরে পিঠা বানাচ্ছিলেন মা মোসলেমা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মায়ের হাতের পিঠা খাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে ঘরে কাঁথা গায়ে ঘুমাচ্ছিল সাত বছরের মোরসালিন। রাত তখন প্রায় ১০টা। ঘরের পাশের ওয়াবদা বাঁধের সড়ক দিয়ে গাছের গুঁড়িবোঝাই ট্রাক যাচ্ছিল। এ সময় ট্রাকের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাছের গুঁড়িসহ ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে ঘর ভেঙে ও গাছের গুঁড়ি চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় মোরসালিন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর হাটের পশ্চিমে ওয়াবদা বাঁধের ধারে এ ঘটনা ঘটে। যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মোরসালিন যাত্রাপুর ইউনিয়নের ওয়াবদা বাঁধের বাসিন্দা সফিকুল ইসলাম-মোসলেমা দম্পতির ছেলে। সফিকুল যাত্রাপুর ঘাটে চা বিক্রি করে সংসার চালান।
মোরসালিনের আকস্মিক মৃত্যুতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা মোসলেমা। হাতে তখনো পিঠা বানানো আটার ছাপ। নিজ হাতে বানানো পিঠা সকালে ছোট ছেলেকে খাওয়ানো হলো না তাঁর।
মোরসালিনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, রাতে মোরসালিনের মা পিঠা বানাচ্ছিলেন। মোরসালিন ঘরে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় গাছের গুঁড়িবোঝাই একটি ট্রাক বাঁধের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় উল্টে যায়। ট্রাকে থাকা গাছের গুঁড়িগুলোর কয়েকটি ঘরের ওপর পড়ে মোরসালিনকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাসান বলেন, ‘শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তাকে মৃত পাই। সম্ভবত মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছিল।’
চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। শিশুটির পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।’

রান্নাঘরে পিঠা বানাচ্ছিলেন মা মোসলেমা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মায়ের হাতের পিঠা খাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে ঘরে কাঁথা গায়ে ঘুমাচ্ছিল সাত বছরের মোরসালিন। রাত তখন প্রায় ১০টা। ঘরের পাশের ওয়াবদা বাঁধের সড়ক দিয়ে গাছের গুঁড়িবোঝাই ট্রাক যাচ্ছিল। এ সময় ট্রাকের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাছের গুঁড়িসহ ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে ঘর ভেঙে ও গাছের গুঁড়ি চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় মোরসালিন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর হাটের পশ্চিমে ওয়াবদা বাঁধের ধারে এ ঘটনা ঘটে। যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মোরসালিন যাত্রাপুর ইউনিয়নের ওয়াবদা বাঁধের বাসিন্দা সফিকুল ইসলাম-মোসলেমা দম্পতির ছেলে। সফিকুল যাত্রাপুর ঘাটে চা বিক্রি করে সংসার চালান।
মোরসালিনের আকস্মিক মৃত্যুতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা মোসলেমা। হাতে তখনো পিঠা বানানো আটার ছাপ। নিজ হাতে বানানো পিঠা সকালে ছোট ছেলেকে খাওয়ানো হলো না তাঁর।
মোরসালিনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, রাতে মোরসালিনের মা পিঠা বানাচ্ছিলেন। মোরসালিন ঘরে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় গাছের গুঁড়িবোঝাই একটি ট্রাক বাঁধের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় উল্টে যায়। ট্রাকে থাকা গাছের গুঁড়িগুলোর কয়েকটি ঘরের ওপর পড়ে মোরসালিনকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাসান বলেন, ‘শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিন্তু আমরা তাকে মৃত পাই। সম্ভবত মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছিল।’
চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। শিশুটির পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে