নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরায় ১৫ জেলেকে আটকের পর ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে আজ বুধবার ভোর পর্যন্ত চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান।
অভিযানে ১ লাখ মিটার নিষিদ্ধ জাল ও ১৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাছ স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানা বিতরণ করা হয় এবং জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল সদরের মো. আহমদ আলী (৩৩), মোকরম আলী (২২), জাহাঙ্গীর সরকার (২০), রমজান আলী (২০), চৌহালী উপজেলা খাষপুখুরিয়া গ্রামের আসাদ আলী (২২), ঘোড়জান গ্রামের শুকুর চাঁদ (২৫) আবুল খায়ের (৬৫), নূর মোহাম্মদ (৬০), দত্তকান্দী গ্রামের হাফেজ মো. ইব্রাহীম (৩৪), চর সলিমাবাদ গ্রামের মারুফ সরকার (৩৫), নাগরপুরের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ (৫০), মিজানুর রহমান (২৮), মানিকগঞ্জের কাঁঠালতলীর আবু সাইদ (৫৫), লালপুরের রাকিবুল হাসান (২০), চরকাটারি গ্রামের মজিবুর রহমান (২৮)।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, চৌহালী নৌ পুলিশ, চৌহালী থানা-পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৩ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৩ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৩ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৫ ঘণ্টা আগে