পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সহসভাপতি, লোকসংস্কৃতির বাহক ও নাট্য গবেষক কাজি সাঈদ হোসেন দুলাল (৬১) মারা গেছেন। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঈদ হোসেন দুলালের বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা কাজি কামাল হোসেন। তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এরপর বাড়ির লোকজন তাঁকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা দুলালকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাজি সাঈদ হোসেনের বাড়ি পুঠিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। পরিবারের ৬ ভাই-বোনের মধ্যে দুলাল চতুর্থ।
এদিকে কাজি সাঈদ হোসেন দুলালের মৃত্যুর খবর মুহূর্তের মধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষ বাড়িতে ভিড় করেন।
উল্লেখ্য, কাজি সাঈদ হোসেন দুলাল ১৯৮০ সালে চাকরি নেন খাদ্য বিভাগের দারোয়ান পদে। গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের সুবাদে ১৯৮৩ সালে তাঁর পরিচয় হয় নাট্যকার সেলিম আল দীন ও নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর সঙ্গে। ১৯৮৭ সালে তিনি পুঠিয়া থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৮ সালে গাইবান্ধার যমুনার চরে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতির ধারায় আধুনিক নাটকের উপাদান হিসেবে ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। শুরু করেন বিলুপ্ত লোকনাট্যের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, বিলুপ্তপ্রায় লোকনাট্য দল পুনর্গঠন ও পরিবেশনা। এরই মধ্যে চারণ গায়কদের মুখে মুখে রচিত ৩৫টি লোকপালার পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন তিনি। কাজ করেছেন দেশের ৮৫টি লোকপালার দলের সঙ্গে। এই দলগুলোর বেশ কয়েকটিকে বিলুপ্তপ্রায় অবস্থা থেকে পুনর্গঠন করেছেন তিনি। এসব দলের পরিবেশনায় তিনি পুঠিয়ায় গত ২১ বছরে ১৩ বার বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান জাতীয় লোকনাট্য উৎসব করেছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির লোকনাট্য পদক-২০১০ সহ অসংখ্য সম্মাননা পদক পেয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সহসভাপতি, লোকসংস্কৃতির বাহক ও নাট্য গবেষক কাজি সাঈদ হোসেন দুলাল (৬১) মারা গেছেন। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঈদ হোসেন দুলালের বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা কাজি কামাল হোসেন। তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। এরপর বাড়ির লোকজন তাঁকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা দুলালকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাজি সাঈদ হোসেনের বাড়ি পুঠিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। পরিবারের ৬ ভাই-বোনের মধ্যে দুলাল চতুর্থ।
এদিকে কাজি সাঈদ হোসেন দুলালের মৃত্যুর খবর মুহূর্তের মধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সাধারণ মানুষ বাড়িতে ভিড় করেন।
উল্লেখ্য, কাজি সাঈদ হোসেন দুলাল ১৯৮০ সালে চাকরি নেন খাদ্য বিভাগের দারোয়ান পদে। গ্রাম থিয়েটার আন্দোলনের সুবাদে ১৯৮৩ সালে তাঁর পরিচয় হয় নাট্যকার সেলিম আল দীন ও নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর সঙ্গে। ১৯৮৭ সালে তিনি পুঠিয়া থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৮ সালে গাইবান্ধার যমুনার চরে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতির ধারায় আধুনিক নাটকের উপাদান হিসেবে ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। শুরু করেন বিলুপ্ত লোকনাট্যের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, বিলুপ্তপ্রায় লোকনাট্য দল পুনর্গঠন ও পরিবেশনা। এরই মধ্যে চারণ গায়কদের মুখে মুখে রচিত ৩৫টি লোকপালার পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন তিনি। কাজ করেছেন দেশের ৮৫টি লোকপালার দলের সঙ্গে। এই দলগুলোর বেশ কয়েকটিকে বিলুপ্তপ্রায় অবস্থা থেকে পুনর্গঠন করেছেন তিনি। এসব দলের পরিবেশনায় তিনি পুঠিয়ায় গত ২১ বছরে ১৩ বার বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান জাতীয় লোকনাট্য উৎসব করেছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির লোকনাট্য পদক-২০১০ সহ অসংখ্য সম্মাননা পদক পেয়েছেন তিনি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে