রাজশাহী প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজশাহী জেলা পরিষদের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সীমানা অনুযায়ী ছয়টি সাধারণ ওয়ার্ড কমে গেছে। আর সংরক্ষিত নারী আসনের ওয়ার্ড কমছে দুটি। আজ সোমবার জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল ও সীমা নির্ধারণ কর্মকর্তা আবদুল জলিল নতুন সীমানা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন।
আগে রাজশাহী জেলা পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ছিল ১৫টি। এ ছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ড ছিল পাঁচটি। স্থানীয় সরকার বিভাগ সীমানা পুনর্নির্ধারণের নির্দেশনা দিলে গত ৫ মে জেলা প্রশাসক সীমানা নির্ধারণের একটি খসড়া প্রকাশ করেন। কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে তাঁকে জানাতে বলা হয়।
এ প্রক্রিয়া শেষে গতকাল রোববার চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডকে এবার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড করা হয়েছে। নতুন সীমানা অনুযায়ী জেলার ৯ উপজেলার প্রতিটি উপজেলাকে একটি করে সাধারণ ওয়ার্ড করা হয়েছে। শুধু পবা উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে পড়ছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকা। আর তিনটি সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে নারী সদস্যদের জন্য করা হয়েছে একটি করে সংরক্ষিত ওয়ার্ড।
জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা হয়েছে ১ নম্বর ওয়ার্ড। এ ছাড়া তানোর ২ নম্বর ওয়ার্ড, পবা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন ৩ নম্বর ওয়ার্ড, মোহনপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড, দুর্গাপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ড, বাগমারা ৬ নম্বর ওয়ার্ড, পুঠিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড, চারঘাট ৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঘা ৯ নম্বর ওয়ার্ড। আর ১, ২ ও ৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে করা হয়েছে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে হয়েছে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এ ছাড়া ৭, ৮ ও ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে হয়েছে সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৩।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা আবদুল জলিল জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে জেলা পরিষদের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন সীমানা নির্ধারণের নথিপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন সীমা নিয়ে এখন কারও আর কোনো আপত্তি তোলার সুযোগ নেই।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী রাজশাহী জেলা পরিষদের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সীমানা অনুযায়ী ছয়টি সাধারণ ওয়ার্ড কমে গেছে। আর সংরক্ষিত নারী আসনের ওয়ার্ড কমছে দুটি। আজ সোমবার জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল ও সীমা নির্ধারণ কর্মকর্তা আবদুল জলিল নতুন সীমানা চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন।
আগে রাজশাহী জেলা পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ছিল ১৫টি। এ ছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ড ছিল পাঁচটি। স্থানীয় সরকার বিভাগ সীমানা পুনর্নির্ধারণের নির্দেশনা দিলে গত ৫ মে জেলা প্রশাসক সীমানা নির্ধারণের একটি খসড়া প্রকাশ করেন। কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে তাঁকে জানাতে বলা হয়।
এ প্রক্রিয়া শেষে গতকাল রোববার চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডকে এবার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড করা হয়েছে। নতুন সীমানা অনুযায়ী জেলার ৯ উপজেলার প্রতিটি উপজেলাকে একটি করে সাধারণ ওয়ার্ড করা হয়েছে। শুধু পবা উপজেলার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে পড়ছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকা। আর তিনটি সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে নারী সদস্যদের জন্য করা হয়েছে একটি করে সংরক্ষিত ওয়ার্ড।
জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা হয়েছে ১ নম্বর ওয়ার্ড। এ ছাড়া তানোর ২ নম্বর ওয়ার্ড, পবা ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন ৩ নম্বর ওয়ার্ড, মোহনপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড, দুর্গাপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ড, বাগমারা ৬ নম্বর ওয়ার্ড, পুঠিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড, চারঘাট ৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঘা ৯ নম্বর ওয়ার্ড। আর ১, ২ ও ৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে করা হয়েছে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে হয়েছে ১ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এ ছাড়া ৭, ৮ ও ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে হয়েছে সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৩।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা আবদুল জলিল জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে জেলা পরিষদের নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন সীমানা নির্ধারণের নথিপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন সীমা নিয়ে এখন কারও আর কোনো আপত্তি তোলার সুযোগ নেই।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে