নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর বহুলে আলোচিত নারী আয়েশা আক্তার লিজাকে (৩৮) চাঁদাবাজির একটি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক ফয়সাল তারেক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের পেশকার আবদুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আয়েশা আক্তার লিজা আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের প্রার্থনা করেন। তবে আদালতের বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
লিজা রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের প্রাক্তন স্ত্রী। এমপির সঙ্গে প্রেম, পরে বিবাহবিচ্ছেদ এবং ‘সুদের কারবার’ নিয়ে রাজশাহীতে বহুল আলোচিত এই নারী।
লিজাকে প্রভাস চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তির মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রভাস ‘এটিএন ইমার্ট’-এর রাজশাহী বিভাগীয় সুপার ডিলার। ১৮ ফেব্রুয়ারি নগরীর বোয়ালিয়া থানায় আসামি লিজার বিরুদ্ধে এই চাঁদাবাজি মামলা করেন তিনি।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রভাস চন্দ্র সরকার লিজার কাছ থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এক লাখ টাকা নেন। টাকা দেওয়ার সময় লিজা প্রভাসের কাছ থেকে ৩০০ টাকা মূল্যমানের সই করা স্ট্যাম্প নিয়ে রাখেন।
পরে গত ৭ জানুয়ারি তিনি টাকা ফেরত দেন। কিন্তু লিজা তাঁকে তাঁর সই করা স্ট্যাম্প ফেরত দেননি। তিনি পরে স্ট্যাম্প ফেরত দেবেন বলে জানান।
পরবর্তী সময় লিজার কাছ থেকে স্ট্যাম্প চাইলে তিনি আবার এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে স্ট্যাম্প দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। সর্বশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি লিজা স্ট্যাম্প ফেরত দেবেন না বলে জানিয়ে দেন।
এ ছাড়া প্রভাসের বিরুদ্ধে মামলা করারও হুমকি দেন তিনি। এ অবস্থায় প্রভাস চন্দ্র সরকারই থানায় গিয়ে লিজাকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

রাজশাহীর বহুলে আলোচিত নারী আয়েশা আক্তার লিজাকে (৩৮) চাঁদাবাজির একটি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক ফয়সাল তারেক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতের পেশকার আবদুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আয়েশা আক্তার লিজা আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের প্রার্থনা করেন। তবে আদালতের বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
লিজা রাজশাহী নগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের প্রাক্তন স্ত্রী। এমপির সঙ্গে প্রেম, পরে বিবাহবিচ্ছেদ এবং ‘সুদের কারবার’ নিয়ে রাজশাহীতে বহুল আলোচিত এই নারী।
লিজাকে প্রভাস চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তির মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রভাস ‘এটিএন ইমার্ট’-এর রাজশাহী বিভাগীয় সুপার ডিলার। ১৮ ফেব্রুয়ারি নগরীর বোয়ালিয়া থানায় আসামি লিজার বিরুদ্ধে এই চাঁদাবাজি মামলা করেন তিনি।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রভাস চন্দ্র সরকার লিজার কাছ থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এক লাখ টাকা নেন। টাকা দেওয়ার সময় লিজা প্রভাসের কাছ থেকে ৩০০ টাকা মূল্যমানের সই করা স্ট্যাম্প নিয়ে রাখেন।
পরে গত ৭ জানুয়ারি তিনি টাকা ফেরত দেন। কিন্তু লিজা তাঁকে তাঁর সই করা স্ট্যাম্প ফেরত দেননি। তিনি পরে স্ট্যাম্প ফেরত দেবেন বলে জানান।
পরবর্তী সময় লিজার কাছ থেকে স্ট্যাম্প চাইলে তিনি আবার এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে স্ট্যাম্প দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। সর্বশেষ ১৭ ফেব্রুয়ারি লিজা স্ট্যাম্প ফেরত দেবেন না বলে জানিয়ে দেন।
এ ছাড়া প্রভাসের বিরুদ্ধে মামলা করারও হুমকি দেন তিনি। এ অবস্থায় প্রভাস চন্দ্র সরকারই থানায় গিয়ে লিজাকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে