প্রতিনিধি, রাজশাহী

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাঁদের মৃত্যু হয়। সোমবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনার তিনজন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুজন করে এবং নাটোর, নওগাঁ ও চুয়াডাঙ্গার একজন করে মারা গেছেন। এর মধ্যে পাবনার দুজন এবং নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে করোনা পজিটিভ ছিলেন। করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় রাজশাহীর একজন মারা গেছেন। অন্য চারজন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।
মৃত ১০ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী। এদের মধ্যে ২১-৩০ বছর বয়সের মধ্যে একজন পুরুষ, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে একজন করে নারী ও পুরুষ; ৫১-৬০ বছরের মধ্যে একজন করে নারী ও পুরুষ এবং ষাটোর্ধ্ব তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। এ নিয়ে চলতি মাসে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৪ জনের মৃত্যু হলো।
সোমবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৯ জন। হাসপাতালে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১১৬ জন। উপসর্গ নিয়ে ছিলেন ৮৮ জন। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় কোভিড ইউনিটে ভর্তি ছিলেন আরও ৩৪ জন রোগী।
হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট রোগীর সংখ্যা ২৩৮ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ৯৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৪ জন, নাটোরের ৩৩ জন, নওগাঁর ২১ জন, পাবনার ২৩ জন, কুষ্টিয়ার আটজন, জয়পুরহাটের তিনজন এবং বগুড়া মেহেরপুরের একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন।
রাজশাহীর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী, রোববার র্যাপিড অ্যান্টিজেন এবং আরটি-পিসিআর মিলে জেলায় মোট ৪৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৭৫ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। আর শুধু দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে সংক্রমণের হার ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাঁদের মৃত্যু হয়। সোমবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনার তিনজন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুজন করে এবং নাটোর, নওগাঁ ও চুয়াডাঙ্গার একজন করে মারা গেছেন। এর মধ্যে পাবনার দুজন এবং নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে করোনা পজিটিভ ছিলেন। করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় রাজশাহীর একজন মারা গেছেন। অন্য চারজন মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।
মৃত ১০ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী। এদের মধ্যে ২১-৩০ বছর বয়সের মধ্যে একজন পুরুষ, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে একজন করে নারী ও পুরুষ; ৫১-৬০ বছরের মধ্যে একজন করে নারী ও পুরুষ এবং ষাটোর্ধ্ব তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। এ নিয়ে চলতি মাসে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৪ জনের মৃত্যু হলো।
সোমবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৯ জন। হাসপাতালে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১১৬ জন। উপসর্গ নিয়ে ছিলেন ৮৮ জন। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় কোভিড ইউনিটে ভর্তি ছিলেন আরও ৩৪ জন রোগী।
হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট রোগীর সংখ্যা ২৩৮ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ৯৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৪ জন, নাটোরের ৩৩ জন, নওগাঁর ২১ জন, পাবনার ২৩ জন, কুষ্টিয়ার আটজন, জয়পুরহাটের তিনজন এবং বগুড়া মেহেরপুরের একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন।
রাজশাহীর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী, রোববার র্যাপিড অ্যান্টিজেন এবং আরটি-পিসিআর মিলে জেলায় মোট ৪৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৭৫ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ১৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। আর শুধু দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে সংক্রমণের হার ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে