
রাজশাহীতে জামানত হারিয়েছেন ছয়টি সংসদীয় আসনের ২০ জন প্রার্থী। নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাঁরা জামানত হিসেবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া টাকা ফেরত পাবেন না। প্রার্থিতার জন্য তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে জামানত দিতে হয়েছিল।
ভোটের ফলাফলে ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপি চারটি ও জামায়াত দুটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার ফলাফল ঘোষণা করেন। রাজশাহীতে শুধু বিএনপি ও জামায়াতের জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরাই জামানতের টাকা ফেরত পাবেন।
এতে দেখা যায়, রাজশাহী-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মির মো. শাহজাহান ৪০৭, এবি পার্টির আব্দুর রহমান ১ হাজার ১০০ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আল-সাআদ ৬৬৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
রাজশাহী-২ আসনে এবি পার্টির মু. সাঈদ নোমান ৭৮৬, নাগরিক ঐক্যের মোহাম্মদ সামছুল আলম ৫৫২, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল ইসলাম ৩৮৭ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদ ৮০১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
রাজশাহী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগম ১ হাজার ১১৭ ভোট, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন ২ হাজার ৩৯০, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান ২ হাজার ৩৯০ ও আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ ২৯৫ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।
রাজশাহী-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান ৬৭০ ও জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ১ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়েছেন। তারাও জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না।
রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন ৬২০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী রায়হান কাওসার ৪৪২, ইসফা খায়রুল হক শিমুল (বিএনপির বিদ্রোহী) ২ হাজার ৪৯৬ ও রেজাউল করিম (বিএনপির বিদ্রোহী) ৬ হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
রাজশাহী-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজ ১ হাজার ৬২৮ ও জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ২ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৩২ জন। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের ১২ জন ছাড়া বাকি ২০ জনই জামানত হারিয়েছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ে উচ্ছ্বসিত বগুড়াবাসী। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বগুড়াজুড়ে দেখা দিয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের মধ্যে উচ্ছ্বাস যেন উপচে পড়ছে। তাঁদের অনেকেই মনে করছেন, দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুধু দলীয় প্রধান নন, প্রধানমন্ত্রীও হতে যাচ্ছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে জোটের প্রার্থীসহ ১৯টিতে জয় পেয়েছে দলটি। সবচেয়ে বেশি চমক দেখা গেছে বরিশাল জেলায়। এখানকার ছয়টি আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে পেছনে...
৬ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৮টিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। অন্য ১১টি আসনে জিতেছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা। ভোটের ফল প্রকাশের পরপরই এই আসনগুলোতে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা সামনে এসেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গত শতাব্দীর আশির দশক থেকে গত দশক পর্যন্ত বিএনপির সম্মুখসারির মুখ ছিলেন ফরিদপুরের দুই কিংবদন্তি। তাঁদের একজন কে এম ওবায়দুর রহমান, অপরজন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ। এই দুই নেতার প্রয়াণের পর ফরিদপুরে বিএনপির রাজনীতিতে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছিল।
৮ ঘণ্টা আগে