নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সংস্কারকাজে অনিয়ম নিয়ে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নগর ভবনের প্রকৌশল শাখায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইনের নেতৃত্বে অভিযানে ছিলেন অন্য সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ সিদ্দিক এবং উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান। তাঁদের দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করতে পারেননি সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন।
অভিযান শেষে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন বলেন, কাজ ইতিমধ্যে অর্ধেক শেষ হয়েছে। বেশির ভাগ কাজের ঠিকাদার নির্বাচন-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেনি সিটি করপোরেশন। আবার যেসব কাগজ দিয়েছে, তার একটি যাচাইয়ের জন্য ঠিকাদারের মোবাইল নম্বরে ফোন করে দেখা গেছে, নম্বরটি কোনো ঠিকাদারের নয়। তিনি চাঁদপুরের এক ব্যক্তি।
ুদক কর্মকর্তা আমির হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে মাত্র তিনটি ফাইল তাঁরা আমাদের দিয়েছেন। আর আমরা ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, এখনো সাতটা কাজ চলমান। কিন্তু এ সাতটা কাজের কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অলরেডি কাজের হাফ ডান।’
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই সিটি করপোরেশনে তাণ্ডব চালানো হয়। লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয় নগর ভবনে। এতে ২১ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৯ টাকার ক্ষতি হয়। সম্প্রতি এসবেরই সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে; কিন্তু নিয়মনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আজকের পত্রিকায় ‘টেন্ডার-কোটেশন ছাড়াই বিএনপি নেতাকে কাজ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল অভিযান চালায় দুদক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন বলেন, ‘তাঁরা তাঁদের মতো বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করছি।’

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সংস্কারকাজে অনিয়ম নিয়ে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নগর ভবনের প্রকৌশল শাখায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইনের নেতৃত্বে অভিযানে ছিলেন অন্য সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ সিদ্দিক এবং উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান। তাঁদের দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করতে পারেননি সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন।
অভিযান শেষে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন বলেন, কাজ ইতিমধ্যে অর্ধেক শেষ হয়েছে। বেশির ভাগ কাজের ঠিকাদার নির্বাচন-সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেনি সিটি করপোরেশন। আবার যেসব কাগজ দিয়েছে, তার একটি যাচাইয়ের জন্য ঠিকাদারের মোবাইল নম্বরে ফোন করে দেখা গেছে, নম্বরটি কোনো ঠিকাদারের নয়। তিনি চাঁদপুরের এক ব্যক্তি।
ুদক কর্মকর্তা আমির হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে মাত্র তিনটি ফাইল তাঁরা আমাদের দিয়েছেন। আর আমরা ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, এখনো সাতটা কাজ চলমান। কিন্তু এ সাতটা কাজের কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অলরেডি কাজের হাফ ডান।’
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই সিটি করপোরেশনে তাণ্ডব চালানো হয়। লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয় নগর ভবনে। এতে ২১ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৯ টাকার ক্ষতি হয়। সম্প্রতি এসবেরই সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে; কিন্তু নিয়মনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আজকের পত্রিকায় ‘টেন্ডার-কোটেশন ছাড়াই বিএনপি নেতাকে কাজ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল অভিযান চালায় দুদক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রকৌশলী আহমদ আল মঈন বলেন, ‘তাঁরা তাঁদের মতো বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করছি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে