করোনা মহামারি দেড় বছর পর খুলেছে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয় গুলো খোলার পর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতিও হার ৮০ ভাগের ওপরে। তবে উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে শিক্ষক সংকট।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮ জন প্রধান শিক্ষক ও ২২ জন সহকারী শিক্ষকের পদ এখনো শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে ৩-৪ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদানের কাজ।
প্রধান শিক্ষক না থাকায় করোনা সংকটের পর স্কুল খুললেও ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়গুলোর পাঠদানের কাজ।
দুর্গাপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে,২শ বর্গ কিলোমিটার মিটার আয়তন নিয়ে এ উপজেলা। এখানে পুরোনো ৪৫টি ও নতুন ৩৪টি সহ মোট ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘ দিন ধরে শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ২২টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য।
যে সব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, সেগুলো হচ্ছে আড়বাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাঙিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নান্দিগ্রাম শেখ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাড়িয়া-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশেমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া ২২টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষকেরা বলেন, করোনায় দেড় বছর পর খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষক দিয়ে কোন মতে চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে পাঠদান কর্মসূচি। ফলে অফিসের কাজ ও বিদ্যালয়ের পাঠদানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক বিদ্যালয়ে মাত্র ৩-৪ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। এতে বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে শিক্ষক সংকট।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান বলেন, উপজেলা ৮টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ওপর মহলকে শিক্ষকের পদ শূন্যর বিষয়টি জানানো হয়েছে।










