প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

একটি হনুমান প্রায় তিন মাস ধরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্থানীয়দের ধারণা, হনুমানটি কোনো এলাকা থেকে ট্রাকে চড়ে এ এলাকায় এসেছে।
প্রথমদিকে এটি গাছের ডালে, ঘরের চালে, ভবনের ছাদে উঠে মানুষ থেকে দূরে দূরে থাকত। অনেকেই ভয়ে এটিকে তাড়িয়ে দিত।
কিন্তু এখন আর মানুষকে ভয় পায় না। মানুষের আশপাশেই ঘুরে বেড়ায় এটি। কেউ তাড়িয়েও দেয় না।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন মাস আগে হনুমানটি দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় প্রথম দেখা যায়। সেখানে কয়েক দিন থাকার পর এটি শহর এলাকায় চলে আসে।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা কোনো পণ্যবাহী ট্রাকে ওঠে হনুমানটি এই এলাকায় চলে আসে।
এর আগেও মাঝে মধ্যেই এই এলাকায় হনুমান চলে আসার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কিছুদিন পরে সেগুলো অন্য জায়গায় চলে গেছে।
কিন্তু এটি এক মাস ধরে স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে মানুষের সঙ্গে। টিকে থাকার তাগিদে সঙ্গীবিহীন হনুমানটি মানুষের সঙ্গে এভাবে মিশে থাকার চেষ্টা করছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
সোমবার দুপুরে বিশাল দেহের হনুমানটি গোয়ালন্দ রেলগেট এলাকায় চলে আসে। ক্ষুধার্ত হনুমানটি রেলগেট মতিয়ারের দোকানের সামনে থাকা রেলের রেলিংয়ের ওপর বসে থাকে। দোকানদার পাউরুটি ও বিস্কুট দিলে খাবারগুলো খায়। এ সময় অনেকেই এটির পাশ দিয়ে গেলেও কাউকে কিছুই বলেনি। এ সময় অনেকেই হনুমানটিকে কলা, পাউরুটি খাবার দেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘হনুমানটি হয়তো কোনো কলার ট্রাকে করে সুন্দরবন এলাকা থেকে এদিকে চলে এসেছে। এখানে আসার পর সে সঙ্গীবিহীন হয়ে গেছে। তাই এটি বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করছে। কারও কোনো ক্ষতি করছে না। মানুষও ক্ষতি করে না এমন কোনো প্রাণী পেলে স্বভাবতই ভালোবাসে। খাবার দেয়, সহযোগিতা করে।’

একটি হনুমান প্রায় তিন মাস ধরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্থানীয়দের ধারণা, হনুমানটি কোনো এলাকা থেকে ট্রাকে চড়ে এ এলাকায় এসেছে।
প্রথমদিকে এটি গাছের ডালে, ঘরের চালে, ভবনের ছাদে উঠে মানুষ থেকে দূরে দূরে থাকত। অনেকেই ভয়ে এটিকে তাড়িয়ে দিত।
কিন্তু এখন আর মানুষকে ভয় পায় না। মানুষের আশপাশেই ঘুরে বেড়ায় এটি। কেউ তাড়িয়েও দেয় না।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন মাস আগে হনুমানটি দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় প্রথম দেখা যায়। সেখানে কয়েক দিন থাকার পর এটি শহর এলাকায় চলে আসে।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা কোনো পণ্যবাহী ট্রাকে ওঠে হনুমানটি এই এলাকায় চলে আসে।
এর আগেও মাঝে মধ্যেই এই এলাকায় হনুমান চলে আসার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কিছুদিন পরে সেগুলো অন্য জায়গায় চলে গেছে।
কিন্তু এটি এক মাস ধরে স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে মানুষের সঙ্গে। টিকে থাকার তাগিদে সঙ্গীবিহীন হনুমানটি মানুষের সঙ্গে এভাবে মিশে থাকার চেষ্টা করছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
সোমবার দুপুরে বিশাল দেহের হনুমানটি গোয়ালন্দ রেলগেট এলাকায় চলে আসে। ক্ষুধার্ত হনুমানটি রেলগেট মতিয়ারের দোকানের সামনে থাকা রেলের রেলিংয়ের ওপর বসে থাকে। দোকানদার পাউরুটি ও বিস্কুট দিলে খাবারগুলো খায়। এ সময় অনেকেই এটির পাশ দিয়ে গেলেও কাউকে কিছুই বলেনি। এ সময় অনেকেই হনুমানটিকে কলা, পাউরুটি খাবার দেন।
গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘হনুমানটি হয়তো কোনো কলার ট্রাকে করে সুন্দরবন এলাকা থেকে এদিকে চলে এসেছে। এখানে আসার পর সে সঙ্গীবিহীন হয়ে গেছে। তাই এটি বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করছে। কারও কোনো ক্ষতি করছে না। মানুষও ক্ষতি করে না এমন কোনো প্রাণী পেলে স্বভাবতই ভালোবাসে। খাবার দেয়, সহযোগিতা করে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৭ ঘণ্টা আগে