গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ছোট যানবাহনগুলো রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ভিড় করছে। অধিকাংশ মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারের মতো ছোট গাড়িগুলো ফাঁকা দেখা যায়। সকালে দৌলতদিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরিতেই ছিল ছোট ছোট যানবাহনের চাপ। অন্যদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী মানুষকে ছোট গাড়িতে করে আসতে দেখা যায়।
আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, স্থানীয়দের পাশাপাশি বহিরাগত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ভিড়। ফেরিতে নদী পাড়ি দিয়ে আসা যাত্রীরা এ ধরনের যানবাহনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।
এ সময় কয়েকজন যাত্রী অভিযোগের সুরে বলেন, গণপরিবহনে আসলে দীর্ঘ সিরিয়ালে আটকা থাকতে হয়। ভাড়াটাও অনেক বেশি।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ১৭টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানা যায়। পাটুরিয়া ঘাট ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ ফেরিগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ দেখা যায়।
ঢাকা থেকে মাদারিপুর একটি পরিবারকে নামিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন মাইক্রোবাস চালক আনোয়ার হোসেন। দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটে আলাপকালে তিনি বলেন, আজ খুব ভোরে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি। পরিবারটিকে নামিয়ে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। এমন অনেক পরিবারই ছোট গাড়িতে গ্রামের বাড়ি ফিরছে। বাসের যে ভাড়া তার থেকে কিছু টাকা বাড়ালেই ছোট গাড়ি ভাড়া হচ্ছে। যাওয়া আসাও খুব আরামদায়ক।
বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাইক্রোবাসে যাত্রী তোলায় ব্যস্ত শ্রমিক শাহ আলম বলেন, তিনি গণপরিবহনের যাত্রী তোলার কাজ করেন। বিনিময়ে পরিবহন থেকে জনপ্রতি যাত্রী বাবদ নির্ধারিত অঙ্কের টাকা পান। ফেরিঘাটে এসেছেন মাইক্রোবাসে যাত্রী তুলে দিতে। তার মতো এ রকম অনেকে ঘাটে যাত্রী তোলার কাজ করছেন। শাহ আলম বলেন, এক দিন কাজ না করলে খাবার জুটবে না। তাই উপায় না পেয়ে ফেরিঘাটে আসা যাত্রীদের মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারে তুলে দিচ্ছি। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন একটু বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিলেন চাকরিজীবী হাসিবুল হক। তিনি বলেন, ‘আগে ভাগেই ছুটি নিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি। গণপরিবহনে যে ভাড়া তার থেকে ছোট গাড়িই ভালো। অল্প সময়ে খুব আরামে গন্তব্যে যেতে পারছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, গণপরিবহনের পাশাপাশি প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসের চাপ বেড়েছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দিকে যাওয়া অধিকাংশ যাত্রী ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ভাড়া করে ছুটছেন গ্রামের বাড়িতে। এ কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে ছোট গাড়ির চাপ রয়েছে। এসব গাড়ি ও যাত্রী পারাপার করতে ছোট ফেরির সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বড় ফেরিও চলছে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ছোট যানবাহনগুলো রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ভিড় করছে। অধিকাংশ মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারের মতো ছোট গাড়িগুলো ফাঁকা দেখা যায়। সকালে দৌলতদিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরিতেই ছিল ছোট ছোট যানবাহনের চাপ। অন্যদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী মানুষকে ছোট গাড়িতে করে আসতে দেখা যায়।
আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, স্থানীয়দের পাশাপাশি বহিরাগত অনেক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাহিন্দ্র, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ভিড়। ফেরিতে নদী পাড়ি দিয়ে আসা যাত্রীরা এ ধরনের যানবাহনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।
এ সময় কয়েকজন যাত্রী অভিযোগের সুরে বলেন, গণপরিবহনে আসলে দীর্ঘ সিরিয়ালে আটকা থাকতে হয়। ভাড়াটাও অনেক বেশি।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ১৭টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানা যায়। পাটুরিয়া ঘাট ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ ফেরিগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ দেখা যায়।
ঢাকা থেকে মাদারিপুর একটি পরিবারকে নামিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন মাইক্রোবাস চালক আনোয়ার হোসেন। দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাটে আলাপকালে তিনি বলেন, আজ খুব ভোরে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি। পরিবারটিকে নামিয়ে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। এমন অনেক পরিবারই ছোট গাড়িতে গ্রামের বাড়ি ফিরছে। বাসের যে ভাড়া তার থেকে কিছু টাকা বাড়ালেই ছোট গাড়ি ভাড়া হচ্ছে। যাওয়া আসাও খুব আরামদায়ক।
বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাইক্রোবাসে যাত্রী তোলায় ব্যস্ত শ্রমিক শাহ আলম বলেন, তিনি গণপরিবহনের যাত্রী তোলার কাজ করেন। বিনিময়ে পরিবহন থেকে জনপ্রতি যাত্রী বাবদ নির্ধারিত অঙ্কের টাকা পান। ফেরিঘাটে এসেছেন মাইক্রোবাসে যাত্রী তুলে দিতে। তার মতো এ রকম অনেকে ঘাটে যাত্রী তোলার কাজ করছেন। শাহ আলম বলেন, এক দিন কাজ না করলে খাবার জুটবে না। তাই উপায় না পেয়ে ফেরিঘাটে আসা যাত্রীদের মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারে তুলে দিচ্ছি। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন একটু বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিলেন চাকরিজীবী হাসিবুল হক। তিনি বলেন, ‘আগে ভাগেই ছুটি নিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি। গণপরিবহনে যে ভাড়া তার থেকে ছোট গাড়িই ভালো। অল্প সময়ে খুব আরামে গন্তব্যে যেতে পারছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, গণপরিবহনের পাশাপাশি প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসের চাপ বেড়েছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দিকে যাওয়া অধিকাংশ যাত্রী ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ভাড়া করে ছুটছেন গ্রামের বাড়িতে। এ কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে ছোট গাড়ির চাপ রয়েছে। এসব গাড়ি ও যাত্রী পারাপার করতে ছোট ফেরির সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বড় ফেরিও চলছে।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২৩ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৮ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩২ মিনিট আগে