নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ছাত্রদলের তিন নেতা-কর্মীকে মারধর করেছিলেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মো. রিয়াদুল ইসলাম। সেই ছাত্রলীগ নেতাই এবার ছাত্রদলের কর্মসূচিতে অংশ নিলেন। গতকাল রোববার উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আয়োজনে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভায় তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের ভাষ্য, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন কমিটির স্কুল ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন রিয়াদুল ইসলাম। তিনি জুলুহার গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুল হাওলাদারের ছেলে।
ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মীর অভিযোগ, ছাত্রদলে পদ পাওয়ার জন্য রিয়াদুল ইসলাম এখন বিভিন্ন মহলে তদবির করছেন। সে উদ্দেশ্যে তিনি ছাত্রদলের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তবে এখনো তাঁকে ছাত্রদলের কোনো পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা মো. সিয়াম শেখ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিল রিয়াদুল ইসলাম। সেই ছবিতে আমি হা হা রিয়েক্ট দিয়েছিলাম। তাতে রিয়াদুল ও তার বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে সমুদয়কাঠি বাজারে বসে আমাদের ওপর লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আমি, হাসান, রিয়ান বেশ কয়েকজন আহত হয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিয়াদুল ইসলাম বলেন, ‘শেহাংগলের ছাত্রদল নেতা ইমরান খন্দকার আমাকে বলেছিল। সে আমাকে জোর করে প্রোগ্রামে নিয়েছিল। আমার কাছে পোলাপান চাইছিল। আমি পোলাপান নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম। পরে আবার চলে আসছি।’ তিনি বলেন, এক দল করে আরেক দলের প্রোগ্রামে গেলে দোষের কী?
তবে এ বিষয়ে শেহাংগলের ছাত্রদল নেতা ইমরান খন্দকারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘রিয়াদুল ইসলাম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। তাঁকে ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভায় একবার দেখেছি। তিনি কী উদ্দেশ্যে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ছাত্রদলের তিন নেতা-কর্মীকে মারধর করেছিলেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মো. রিয়াদুল ইসলাম। সেই ছাত্রলীগ নেতাই এবার ছাত্রদলের কর্মসূচিতে অংশ নিলেন। গতকাল রোববার উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের আয়োজনে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক প্রস্তুতিমূলক সভায় তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের ভাষ্য, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন কমিটির স্কুল ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন রিয়াদুল ইসলাম। তিনি জুলুহার গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুল হাওলাদারের ছেলে।
ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মীর অভিযোগ, ছাত্রদলে পদ পাওয়ার জন্য রিয়াদুল ইসলাম এখন বিভিন্ন মহলে তদবির করছেন। সে উদ্দেশ্যে তিনি ছাত্রদলের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। তবে এখনো তাঁকে ছাত্রদলের কোনো পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা মো. সিয়াম শেখ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিল রিয়াদুল ইসলাম। সেই ছবিতে আমি হা হা রিয়েক্ট দিয়েছিলাম। তাতে রিয়াদুল ও তার বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে সমুদয়কাঠি বাজারে বসে আমাদের ওপর লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় আমি, হাসান, রিয়ান বেশ কয়েকজন আহত হয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিয়াদুল ইসলাম বলেন, ‘শেহাংগলের ছাত্রদল নেতা ইমরান খন্দকার আমাকে বলেছিল। সে আমাকে জোর করে প্রোগ্রামে নিয়েছিল। আমার কাছে পোলাপান চাইছিল। আমি পোলাপান নিয়ে ওখানে গিয়েছিলাম। পরে আবার চলে আসছি।’ তিনি বলেন, এক দল করে আরেক দলের প্রোগ্রামে গেলে দোষের কী?
তবে এ বিষয়ে শেহাংগলের ছাত্রদল নেতা ইমরান খন্দকারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘রিয়াদুল ইসলাম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। তাঁকে ছাত্রদলের প্রস্তুতি সভায় একবার দেখেছি। তিনি কী উদ্দেশ্যে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৫ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১৯ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
৪২ মিনিট আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
১ ঘণ্টা আগে