মোয়াজ্জেম হোসেন, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো মানুষ বর্ষার উন্মত্ত ঢেউ উপভোগ করতে সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে দুই পাশে ভিড় জমান। আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষায় কুয়াকাটার ঢেউগুলো বিশাল আকার ধারণ করে, যা পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সেই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে পুরো সৈকত। দুপুর পর্যন্ত নারী, পুরুষ, শিশুসহ সব বয়সী মানুষকে ঢেউয়ের সঙ্গে দুলতে, ছবি তুলতে ও সাগরে গোসল করতে দেখা গেছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক মোস্তাফিজুর রহমান টুলু বলেন, বৃষ্টির মধ্যেও কুয়াকাটার বড় বড় ঢেউ উপভোগ করতে অসাধারণ লাগছে। পরিবার নিয়ে আসায় আনন্দটা আরও বেড়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক ফারহানা আক্তার বলেন, বর্ষার ঢেউয়ের মজা নেওয়ার জন্যই আসা। সৈকতে অনেক ভিড় থাকলেও সবার মধ্যে আনন্দ-উৎসবের আমেজ রয়েছে।

সৈকত লাগোয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহিবুল্লাহ বলেন, কয়েক দিন বৈরী আবহাওয়ায় পর্যটকশূন্য ছিল কুয়াকাটা, আজ সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষে বেশ ভালো পরিমাণে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। বেচাকেনাও মোটামুটি আলহামদুলিল্লাহ।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী জানান, বিচ লাগোয়া হোটেলগুলোতে শতভাগ বুকিং হলেও পৌর শহরের ভেতরের হোটেল-মোটেলে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বুকিং রয়েছে। ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড় কুয়াকাটা অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সৈকতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপদে ঢেউ উপভোগে পর্যটকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো মানুষ বর্ষার উন্মত্ত ঢেউ উপভোগ করতে সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে দুই পাশে ভিড় জমান। আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষায় কুয়াকাটার ঢেউগুলো বিশাল আকার ধারণ করে, যা পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সেই ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে পুরো সৈকত। দুপুর পর্যন্ত নারী, পুরুষ, শিশুসহ সব বয়সী মানুষকে ঢেউয়ের সঙ্গে দুলতে, ছবি তুলতে ও সাগরে গোসল করতে দেখা গেছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক মোস্তাফিজুর রহমান টুলু বলেন, বৃষ্টির মধ্যেও কুয়াকাটার বড় বড় ঢেউ উপভোগ করতে অসাধারণ লাগছে। পরিবার নিয়ে আসায় আনন্দটা আরও বেড়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক ফারহানা আক্তার বলেন, বর্ষার ঢেউয়ের মজা নেওয়ার জন্যই আসা। সৈকতে অনেক ভিড় থাকলেও সবার মধ্যে আনন্দ-উৎসবের আমেজ রয়েছে।

সৈকত লাগোয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহিবুল্লাহ বলেন, কয়েক দিন বৈরী আবহাওয়ায় পর্যটকশূন্য ছিল কুয়াকাটা, আজ সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষে বেশ ভালো পরিমাণে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। বেচাকেনাও মোটামুটি আলহামদুলিল্লাহ।
হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজী জানান, বিচ লাগোয়া হোটেলগুলোতে শতভাগ বুকিং হলেও পৌর শহরের ভেতরের হোটেল-মোটেলে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বুকিং রয়েছে। ছুটির দিনে পর্যটকদের ভিড় কুয়াকাটা অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সৈকতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপদে ঢেউ উপভোগে পর্যটকদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে