
নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেদনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়খালী গ্রামে আলাউদ্দিনের শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে হাতিয়া থানার পুলিশ।
আলাউদ্দিন সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হরিষপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
হাতিয়া থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশের একটি টিম। এ সময় জোড়খালী গ্রামের কালাম হাজীর বাড়ি থেকে বেদনকে পালিয়ে থাকা অবস্থায় আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান, তাঁর সঙ্গে থাকা আরও ১৫-২০ জন। আলাউদ্দিন বেদন দীর্ঘদিন এই বাড়িতে পালিয়ে ছিলেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, আটক আলাউদ্দিন বেদনকে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকা সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালিত হবে।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৯ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে