নীলফামারী প্রতিনিধি

অধিগ্রহণ করা রেলওয়ের জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে নীলফামারীর ডোমারে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা। আজ সোমবার উপজেলার চিলাহাটির বসুনিয়া পাড়ায় এই মানববন্ধন করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, চিলাহাটি রেল স্টেশনের উন্নয়ন ও চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি সংযোগ রেলপথ নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়। কিন্তু ওই জমির বর্তমান দরের চেয়ে অনেক কম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে জমির মালিকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান দর বেশি হওয়ায় অধিগ্রহণের টাকা দিয়ে অন্যত্র জমি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জমি হারিয়ে অনেককে ভূমিহীন হতে হবে। তাই তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
তারা আরও বলেন, মোট ১৭ জন জমি মালিকের দুই একর ৮৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়। যার অর্থ এখনো পরিশোধ করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
জমি মালিক মো. ময়নুল হক (৫৫) বলেন, ‘আমার মাত্র ছয় শতক জমিই সম্বল। ওই জমি রেল অধিগ্রহণ করেছে। প্রতি শতক চার হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে। যা বর্তমানে প্রতি শতকের দাম রয়েছে আড়াই লাখ টাকা।’
আরেক মালিক আরাফাত উজ জামান বলেন, ‘চার বছরেরও বেশি সময় আগে রেল আমাদের জমিতে মাটি ভরাট করেছে। অধিগ্রহণের আগে আমরা জমি দিয়েছি। সেগুলো ছিল তিন ফসলি জমি। এখন রেল যে দাম নির্ধারণ করেছে, তা মেনে নেওয়ার মতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ১১ শতক একটি পুকুরের সাড়ে চার শতক এবং আবাদি ৯৪ শতক জমি রেল অধিগ্রহণ করেছে। পুকুরের জমির দর নির্ধারণ করেছে প্রতি শতক চার হাজার ৩৭৮ টাকা এবং আবাদি জমির দর নির্ধারণ করেছে প্রতি শতক ২৩ হাজার ৮৮২ টাকা।
অথচ এখানে প্রতি শতক জমি বর্তমান বাজার মূল্যে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে তিন লাখ টাকা। এখনে গত চার বছরে আমাদের ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে, ওই দামই আমরা পাচ্ছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের বলেন, ‘এই এলাকায় যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে সবগুলোই তিন ফসলি জমি। ২০১৮ সাল থেকে রেল ওই জমিতে মাটি ভরাট করেছে। এলাকাবাসী উন্নয়নের স্বার্থে অধিগ্রহণের আগেই মাটি ভরাট করতে দিয়েছে।
তখন তারা বলেছিল, জমি মালিকেরা তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাবেন। কিন্তু গত পাঁচ বছরে ওই জমির ধান বিক্রি করে জমি মালিকেরা যে টাকা পেতেন ওই টাকাও তারা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘চিলাহাটি বাজারের প্রধান সড়কের পাশে দুই শতক জমির ওপরে একতলা ঘর যা আমার বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আমরা ছয় ভাই বোন ওই ঘরটি ভাড়া দিয়েছি। তাতে আমাদের সংসারের কিছু বাড়তি আয় হয়।
ওই ঘরটিসহ জমি রেলওয়ে অধিগ্রহণ করেছে। বর্তমানে ওই জমির প্রতি শতকের বাজার মূল্য সাত লাখ ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু অবকাঠামোসহ দুই শতক জমির ক্ষতিপূরণ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা। যা মেনে নেওয়ার মতো না।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রশিদুল ইসলাম, জমির মালিক রাজিউল ইসলাম বসুনিয়া, মো. আসাদুজ্জামান বসুনিয়া প্রমুখ।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে আমরা জমির দাম নির্ধারণ করেছি। এর পরেও কারও কোনো আপত্তি থাকলে তিনি আদালতে যেতে পারবেন। আমরা এই দরের এক টাকা কমও দিতে পারব না, বেশিও দিতে পারব না।’

অধিগ্রহণ করা রেলওয়ের জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে নীলফামারীর ডোমারে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা। আজ সোমবার উপজেলার চিলাহাটির বসুনিয়া পাড়ায় এই মানববন্ধন করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, চিলাহাটি রেল স্টেশনের উন্নয়ন ও চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি সংযোগ রেলপথ নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়। কিন্তু ওই জমির বর্তমান দরের চেয়ে অনেক কম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে জমির মালিকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান দর বেশি হওয়ায় অধিগ্রহণের টাকা দিয়ে অন্যত্র জমি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জমি হারিয়ে অনেককে ভূমিহীন হতে হবে। তাই তারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
তারা আরও বলেন, মোট ১৭ জন জমি মালিকের দুই একর ৮৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়। যার অর্থ এখনো পরিশোধ করেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
জমি মালিক মো. ময়নুল হক (৫৫) বলেন, ‘আমার মাত্র ছয় শতক জমিই সম্বল। ওই জমি রেল অধিগ্রহণ করেছে। প্রতি শতক চার হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে। যা বর্তমানে প্রতি শতকের দাম রয়েছে আড়াই লাখ টাকা।’
আরেক মালিক আরাফাত উজ জামান বলেন, ‘চার বছরেরও বেশি সময় আগে রেল আমাদের জমিতে মাটি ভরাট করেছে। অধিগ্রহণের আগে আমরা জমি দিয়েছি। সেগুলো ছিল তিন ফসলি জমি। এখন রেল যে দাম নির্ধারণ করেছে, তা মেনে নেওয়ার মতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ১১ শতক একটি পুকুরের সাড়ে চার শতক এবং আবাদি ৯৪ শতক জমি রেল অধিগ্রহণ করেছে। পুকুরের জমির দর নির্ধারণ করেছে প্রতি শতক চার হাজার ৩৭৮ টাকা এবং আবাদি জমির দর নির্ধারণ করেছে প্রতি শতক ২৩ হাজার ৮৮২ টাকা।
অথচ এখানে প্রতি শতক জমি বর্তমান বাজার মূল্যে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে তিন লাখ টাকা। এখনে গত চার বছরে আমাদের ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে, ওই দামই আমরা পাচ্ছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের বলেন, ‘এই এলাকায় যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে সবগুলোই তিন ফসলি জমি। ২০১৮ সাল থেকে রেল ওই জমিতে মাটি ভরাট করেছে। এলাকাবাসী উন্নয়নের স্বার্থে অধিগ্রহণের আগেই মাটি ভরাট করতে দিয়েছে।
তখন তারা বলেছিল, জমি মালিকেরা তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাবেন। কিন্তু গত পাঁচ বছরে ওই জমির ধান বিক্রি করে জমি মালিকেরা যে টাকা পেতেন ওই টাকাও তারা ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘চিলাহাটি বাজারের প্রধান সড়কের পাশে দুই শতক জমির ওপরে একতলা ঘর যা আমার বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আমরা ছয় ভাই বোন ওই ঘরটি ভাড়া দিয়েছি। তাতে আমাদের সংসারের কিছু বাড়তি আয় হয়।
ওই ঘরটিসহ জমি রেলওয়ে অধিগ্রহণ করেছে। বর্তমানে ওই জমির প্রতি শতকের বাজার মূল্য সাত লাখ ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু অবকাঠামোসহ দুই শতক জমির ক্ষতিপূরণ ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা। যা মেনে নেওয়ার মতো না।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রশিদুল ইসলাম, জমির মালিক রাজিউল ইসলাম বসুনিয়া, মো. আসাদুজ্জামান বসুনিয়া প্রমুখ।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে আমরা জমির দাম নির্ধারণ করেছি। এর পরেও কারও কোনো আপত্তি থাকলে তিনি আদালতে যেতে পারবেন। আমরা এই দরের এক টাকা কমও দিতে পারব না, বেশিও দিতে পারব না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে