সিএসএম তপন, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের ৯টি ইউনিয়নে আবাদ করা স্বল্পমেয়াদি আমন কাটার ধুম পড়েছে। ধান কাটা, মাড়াই ও ঝাড়াই নিয়ে দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকের। বাড়তি ও লাভজনক ফসল হিসেবে চাষাবাদ করেছেন স্বল্পমেয়াদি এই আগাম জাতের আমন ধান। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার ফলনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধানের পাশাপাশি গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় হাট-বাজারে চলছে কাঁচা খড়ের আঁটির রমরমা ব্যবসা। দামও পাচ্ছেন আশানুরূপ। মণপ্রতি কাঁচা ধান ৭৫০-৮০০, আর শুকনো ধান ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতেই মাড়াই ও বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা এসে খেত থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ধান কাটার পর ওই জমিতে আগাম আলুসহ শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নের ফসল আগাম আলু রোপণে জোরেশোরে মাঠে কাজ করছেন আলুচাষিরা। উঁচু, বেলে ও দোআঁশ মাটি হওয়ায় এ এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সারা বছরই সবুজে ভরা থাকে। জমিগুলোতে তিন থেকে চারটি ফসল হওয়ায় কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগাম ধান কাটা ও আলু রোপণ যেন শীতেরই আগমনী বার্তা বহন করে। শীতকালীন পিঠা-পায়েস তৈরি ও নবান্নের প্রস্তুতি চলছে গ্রামে গ্রামে।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, কৃষিশ্রমিকেরা ধান কাটছেন, কেউ জমিতে ধান মাড়াই করে বস্তায় ভরছেন। এ সময় পুঁটিমারী ইউনিয়নের কৃষক গজেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে চায়না আগাম জাতের ধান রোপণ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘায় ২০-২২ মণ ধান হয়েছে। দামও ভালো। এবার চার বিঘায় আগাম আলু গারিমো (রোপণ করব)।’ বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের কৃষক আনারুল বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে চায়না ধান চাষ করেছি। প্রতি মণ ধান বিক্রি করছি ৮০০ টাকার ওপরে।’
নিতাই ইউনিয়নের কাচারিপাড়ার কৃষক সামছুল হক বলেন, ‘ধানের ফলন ভালো। বাজারে আশানুরূপ দাম পাচ্ছি।’ উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে এ বছর আগাম আমন ধান চাষ হয়েছে ১৪ হাজার ৯৩৫ হেক্টরে। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। কাটার পরপরই এসব জমিতে আগাম আলু রোপণ করা হবে। সে জন্য কৃষকেরা প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। এ ছাড়া এ বছর আগাম আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, কৃষকেরা আগাম আমন ধান কাটা যেমন শুরু করেছেন, তেমনি ওই জমিতে আগাম আলু রোপণেরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দামও পাচ্ছেন বেশ ভালো। আগাম ফসল ঘরে ওঠায় কৃষকেরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তাও বেড়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের ৯টি ইউনিয়নে আবাদ করা স্বল্পমেয়াদি আমন কাটার ধুম পড়েছে। ধান কাটা, মাড়াই ও ঝাড়াই নিয়ে দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকের। বাড়তি ও লাভজনক ফসল হিসেবে চাষাবাদ করেছেন স্বল্পমেয়াদি এই আগাম জাতের আমন ধান। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের তুলনায় এবার ফলনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধানের পাশাপাশি গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় হাট-বাজারে চলছে কাঁচা খড়ের আঁটির রমরমা ব্যবসা। দামও পাচ্ছেন আশানুরূপ। মণপ্রতি কাঁচা ধান ৭৫০-৮০০, আর শুকনো ধান ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতেই মাড়াই ও বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা এসে খেত থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ধান কাটার পর ওই জমিতে আগাম আলুসহ শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নের ফসল আগাম আলু রোপণে জোরেশোরে মাঠে কাজ করছেন আলুচাষিরা। উঁচু, বেলে ও দোআঁশ মাটি হওয়ায় এ এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সারা বছরই সবুজে ভরা থাকে। জমিগুলোতে তিন থেকে চারটি ফসল হওয়ায় কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগাম ধান কাটা ও আলু রোপণ যেন শীতেরই আগমনী বার্তা বহন করে। শীতকালীন পিঠা-পায়েস তৈরি ও নবান্নের প্রস্তুতি চলছে গ্রামে গ্রামে।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, কৃষিশ্রমিকেরা ধান কাটছেন, কেউ জমিতে ধান মাড়াই করে বস্তায় ভরছেন। এ সময় পুঁটিমারী ইউনিয়নের কৃষক গজেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে চায়না আগাম জাতের ধান রোপণ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। প্রতি বিঘায় ২০-২২ মণ ধান হয়েছে। দামও ভালো। এবার চার বিঘায় আগাম আলু গারিমো (রোপণ করব)।’ বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের কৃষক আনারুল বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে চায়না ধান চাষ করেছি। প্রতি মণ ধান বিক্রি করছি ৮০০ টাকার ওপরে।’
নিতাই ইউনিয়নের কাচারিপাড়ার কৃষক সামছুল হক বলেন, ‘ধানের ফলন ভালো। বাজারে আশানুরূপ দাম পাচ্ছি।’ উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে এ বছর আগাম আমন ধান চাষ হয়েছে ১৪ হাজার ৯৩৫ হেক্টরে। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। কাটার পরপরই এসব জমিতে আগাম আলু রোপণ করা হবে। সে জন্য কৃষকেরা প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। এ ছাড়া এ বছর আগাম আলু চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, কৃষকেরা আগাম আমন ধান কাটা যেমন শুরু করেছেন, তেমনি ওই জমিতে আগাম আলু রোপণেরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দামও পাচ্ছেন বেশ ভালো। আগাম ফসল ঘরে ওঠায় কৃষকেরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তাও বেড়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে