মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

গরিব সেজে তথ্য জালিয়াতি করে দুর্যোগ সহনীয় ঘর আর কৃষকের জন্য দেওয়া ধান কাটার যন্ত্র (হারভেস্টর) দুটোই নিজ নামে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। এমন ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে। ওই ব্যক্তির নাম হাবিবুর রহমান। তাঁর বাড়ি উপজেলার মাঘান-শিয়াধার ইউনিয়নের বেথাম গ্রামে।
উপকারভোগী হাবিবুর রহমান ঘর ও হারভেস্টর পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, ‘আমার পাঁচ একর জমি রয়েছে। আছে কৃষি ভর্তুকি কার্ডও।’
হাবিবুর রহমান জানান, পাঁচ একর জমির ছাড়াও মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বসুন্ধরা মোড়ে তাঁর একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর রয়েছে। তাঁর বড় ছেলে মাহবুব রহমান আশিক একটি মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিতে ম্যানেজার পদে কর্মরত। ছোট ছেলেও অপর আরেকটি মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিতে কর্মরত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হাবিবুর রহমানের বড় ছেলে মাহবুব রহমান আশিক চাকরির পাশাপাশি স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। মূলত ছাত্রলীগ কর্মী ছেলের তদবিরেই ঘর আর হারভেস্টর মেশিন দুটোই পেয়েছেন হাবিবুর রহমান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০১৯-২০ অর্থ-বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৩৬ জনকে সরকারি এই ঘর দেওয়া হয়। এর মধ্যে বেথাম গ্রামের হাবিবুর রহমান নিজের সম্পদের তথ্য গোপন করে নিজের নামে একটি ঘর বরাদ্দ নেন।
নথিপত্র থেকে আরও জানা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ওই প্রকল্পের ঘর বরাদ্দের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বছরের শেষের দিকে ঘর নির্মাণ শেষে হস্তান্তর করা হয়। ৩৬ জন উপকারভোগীর তালিকায় মো. হাবিবুর রহমানের নাম রয়েছে ১৮ নম্বরে। বেথাম গ্রামের একমাত্র উপকারভোগী তিনি।
এদিকে উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারি ভর্তুকিতে দেওয়া ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি কবুতা হারভেস্টর মেশিনও নিয়েছেন হাবিবুর রহমান।
এই বিষয়ে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে এই কাজটির শুরুতে আমি ছিলাম না। আমি আসি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ সময়ে। এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘এই কর্মসূচিটি চলাকালীন সময়ে আমি ছিলাম না। আমি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে অনিয়মের বিষয়টি অবগত হলাম। বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সোহেল মাহমুদকে বিষয়টি জানালে তিনি ইউএনওকে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন।

গরিব সেজে তথ্য জালিয়াতি করে দুর্যোগ সহনীয় ঘর আর কৃষকের জন্য দেওয়া ধান কাটার যন্ত্র (হারভেস্টর) দুটোই নিজ নামে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। এমন ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে। ওই ব্যক্তির নাম হাবিবুর রহমান। তাঁর বাড়ি উপজেলার মাঘান-শিয়াধার ইউনিয়নের বেথাম গ্রামে।
উপকারভোগী হাবিবুর রহমান ঘর ও হারভেস্টর পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, ‘আমার পাঁচ একর জমি রয়েছে। আছে কৃষি ভর্তুকি কার্ডও।’
হাবিবুর রহমান জানান, পাঁচ একর জমির ছাড়াও মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বসুন্ধরা মোড়ে তাঁর একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর রয়েছে। তাঁর বড় ছেলে মাহবুব রহমান আশিক একটি মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিতে ম্যানেজার পদে কর্মরত। ছোট ছেলেও অপর আরেকটি মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিতে কর্মরত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হাবিবুর রহমানের বড় ছেলে মাহবুব রহমান আশিক চাকরির পাশাপাশি স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। মূলত ছাত্রলীগ কর্মী ছেলের তদবিরেই ঘর আর হারভেস্টর মেশিন দুটোই পেয়েছেন হাবিবুর রহমান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০১৯-২০ অর্থ-বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মোট ৩৬ জনকে সরকারি এই ঘর দেওয়া হয়। এর মধ্যে বেথাম গ্রামের হাবিবুর রহমান নিজের সম্পদের তথ্য গোপন করে নিজের নামে একটি ঘর বরাদ্দ নেন।
নথিপত্র থেকে আরও জানা গেছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ওই প্রকল্পের ঘর বরাদ্দের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বছরের শেষের দিকে ঘর নির্মাণ শেষে হস্তান্তর করা হয়। ৩৬ জন উপকারভোগীর তালিকায় মো. হাবিবুর রহমানের নাম রয়েছে ১৮ নম্বরে। বেথাম গ্রামের একমাত্র উপকারভোগী তিনি।
এদিকে উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারি ভর্তুকিতে দেওয়া ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি কবুতা হারভেস্টর মেশিনও নিয়েছেন হাবিবুর রহমান।
এই বিষয়ে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে এই কাজটির শুরুতে আমি ছিলাম না। আমি আসি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ সময়ে। এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘এই কর্মসূচিটি চলাকালীন সময়ে আমি ছিলাম না। আমি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে অনিয়মের বিষয়টি অবগত হলাম। বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সোহেল মাহমুদকে বিষয়টি জানালে তিনি ইউএনওকে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে