নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে টিসিবির চালসহ আটক যুবদল নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কাইটাইল বাজার এলাকায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন টিসিবির ডিলার শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন (৩৬), হ্যান্ডট্রলিচালক আলম মিয়া (৪০) ও অপরজন (১৬)। তারা উপজেলার চানগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর মধ্যে শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও মদন উপজেলার চানগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য। গত ডিসেম্বরে তাঁকে অসদাচরণের কারণে সংগঠনের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টিসিবির ২৫ বস্তা চাল একটি হ্যান্ডট্রলিতে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই তিনজন। পথে কাইটাইল বাজারের পাশে একটি ইটভাটার পাশে চালভর্তি হ্যান্ডট্রলিটি জনতা আটক করে।
পরে খবর পেয়ে মদন অস্থায়ী সেনাক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে হ্যান্ডট্রলিসহ চালগুলো জব্দ করে এবং তিনজনকে আটক ও পুলিশে সোপর্দ করে।
থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় কৌশলে যুবদল নেতা শামছুল হক চ্যাম্পিয়নকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। বাকি দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনা নিয়ে মদন থানার ওসি ও ঘটনাস্থলে থাকা এসআই ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। এসআই সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের নিয়ে আসার পথে আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন নামের একজন পালিয়ে যায়।’
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাঈম মুহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে চ্যাম্পিয়নকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়। আমাদের কাছে হস্তান্তরের আগেই সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে তিনি পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুতই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।
এ দিকে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নায়েকপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার।
কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমাকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বলছে মামলায় স্বাক্ষর দিতে। তাই আমি শুধু স্বাক্ষর দিয়েছি। তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের আমি চিনি না।’

নেত্রকোনার মদনে টিসিবির চালসহ আটক যুবদল নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কাইটাইল বাজার এলাকায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন টিসিবির ডিলার শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন (৩৬), হ্যান্ডট্রলিচালক আলম মিয়া (৪০) ও অপরজন (১৬)। তারা উপজেলার চানগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর মধ্যে শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও মদন উপজেলার চানগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য। গত ডিসেম্বরে তাঁকে অসদাচরণের কারণে সংগঠনের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টিসিবির ২৫ বস্তা চাল একটি হ্যান্ডট্রলিতে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই তিনজন। পথে কাইটাইল বাজারের পাশে একটি ইটভাটার পাশে চালভর্তি হ্যান্ডট্রলিটি জনতা আটক করে।
পরে খবর পেয়ে মদন অস্থায়ী সেনাক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে হ্যান্ডট্রলিসহ চালগুলো জব্দ করে এবং তিনজনকে আটক ও পুলিশে সোপর্দ করে।
থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় কৌশলে যুবদল নেতা শামছুল হক চ্যাম্পিয়নকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। বাকি দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনা নিয়ে মদন থানার ওসি ও ঘটনাস্থলে থাকা এসআই ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। এসআই সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের নিয়ে আসার পথে আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে শামছুল হক চ্যাম্পিয়ন নামের একজন পালিয়ে যায়।’
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাঈম মুহাম্মদ নাহিদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে চ্যাম্পিয়নকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়। আমাদের কাছে হস্তান্তরের আগেই সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে তিনি পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। দ্রুতই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে।
এ দিকে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নায়েকপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার।
কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমাকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বলছে মামলায় স্বাক্ষর দিতে। তাই আমি শুধু স্বাক্ষর দিয়েছি। তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের আমি চিনি না।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১২ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৭ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩০ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে