নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অটোরিকশায় যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০-৪০টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটসহ ৫০-৬০টি অটোরিকশা ভাঙচুর হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
এদিকে মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা থানার পুলিশ প্রথমে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পরে নেত্রকোনা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে চারজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুরে মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বিএনপি মোড়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিশাদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, অটোরিকশাতে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে উপজেলার বড়কাশিয়া ও বিরামপুর এ দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে এ সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। থামাতে গেলে তিন এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ছাড়া উভয় গ্রামের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, মোহনগঞ্জ থানার এসআই রিশাদ আলম, এসআই শেখ রাসেল, এসআই মমতাজ উদ্দিনসহ ৮ পুলিশ সদস্য। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ময়মনসিংহে পাঠানো গুরুতর আহতরা হলেন, উপজেলার মানশ্রী গ্রামের সাইদুর রহমান, বাখরপুর গ্রামের হাসান, পেরিরচর গ্রামের জোসেফ ও পৌরশহরের দক্ষিণ দৌলতপুরের স্কুলছাত্র আকাশ।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘অটোরিকশা চালকের সঙ্গে ঝগড়ায় দুই গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়ালে তা বড় আকারে রূপ ধারণ করে। মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ ছাড়াও বারহাট্টা থানা-পুলিশ ও জেলা থেকেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেলে দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে অটোরিকশায় যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০-৪০টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটসহ ৫০-৬০টি অটোরিকশা ভাঙচুর হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
এদিকে মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা থানার পুলিশ প্রথমে সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পরে নেত্রকোনা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে চারজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুরে মোহনগঞ্জ পৌরশহরের বিএনপি মোড়ে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিশাদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, অটোরিকশাতে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে উপজেলার বড়কাশিয়া ও বিরামপুর এ দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে এ সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। থামাতে গেলে তিন এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ছাড়া উভয় গ্রামের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, মোহনগঞ্জ থানার এসআই রিশাদ আলম, এসআই শেখ রাসেল, এসআই মমতাজ উদ্দিনসহ ৮ পুলিশ সদস্য। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ময়মনসিংহে পাঠানো গুরুতর আহতরা হলেন, উপজেলার মানশ্রী গ্রামের সাইদুর রহমান, বাখরপুর গ্রামের হাসান, পেরিরচর গ্রামের জোসেফ ও পৌরশহরের দক্ষিণ দৌলতপুরের স্কুলছাত্র আকাশ।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘অটোরিকশা চালকের সঙ্গে ঝগড়ায় দুই গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়ালে তা বড় আকারে রূপ ধারণ করে। মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ ছাড়াও বারহাট্টা থানা-পুলিশ ও জেলা থেকেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেলে দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে