প্রতিনিধি, লালপুর (নাটোর)

দেশের মানুষের কাছে তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একজন। এলাকায়ও স্বল্প পরিচিত। এসবের ওপরে তাঁর বড় পরিচয় ছিল তিনি একজন সংগীত শিল্পী। নাম রেজাউল করিম। তাঁর কণ্ঠে নজরুলের গান, আধুনিক গান বাঙ্ময় হয়ে উঠত। আজকের পত্রিকার ফেসবুক ও ইউটিউব পেজে তাঁর গান সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল।
চরম দরিদ্রও কখনো তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ করতে পারেনি। কিন্তু আজ শনিবার সেই কণ্ঠ থেমে গেল চিরতরে। নাটোরের লালপুরে একটি বাগানের আম গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল কণ্ঠশিল্পী রেজাউল করিমের মরদেহ। শনিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের ঢুষপাড়া কৃষ্ণরামপুর গ্রাম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রেজাউল করিমের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দিঘা গ্রামে। তাঁকে নিয়ে গত ৮ আগস্ট ‘আজকের পত্রিকার শেষ পাতায় ‘কণ্ঠে মানবেন্দ্র, জীবন মানবেতর’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় মিঠুন কুমার সরকার জানান, উপজেলার কৃষ্ণরামপুর গ্রামের নিখিল সরকারের মেয়ে চৈতালি রানি সরকারের বিয়েতে বাদ্যযন্ত্র ক্যাসিও বাজানোর জন্য গত শুক্রবার আসেন রেজাউল করিম। আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শরীর খারাপ লাগার কথা বলে ঘুমাতে যান। বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেলে তিনি ফিরে না আসায় সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করে। বেলা ৩টার দিকে বাড়ির পেছনের আমবাগানে গাছের ডালের ঝোলা অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। কাঁচা পাটের দড়িতে ঝোলানো মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলুর রহমান বলেন, তিনি সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে এ খবর পান। আব্দুলপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক হিরেন্দ্র নাথ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তিনি ও বড়াইগ্রাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রওনা হয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দেশের মানুষের কাছে তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একজন। এলাকায়ও স্বল্প পরিচিত। এসবের ওপরে তাঁর বড় পরিচয় ছিল তিনি একজন সংগীত শিল্পী। নাম রেজাউল করিম। তাঁর কণ্ঠে নজরুলের গান, আধুনিক গান বাঙ্ময় হয়ে উঠত। আজকের পত্রিকার ফেসবুক ও ইউটিউব পেজে তাঁর গান সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল।
চরম দরিদ্রও কখনো তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ করতে পারেনি। কিন্তু আজ শনিবার সেই কণ্ঠ থেমে গেল চিরতরে। নাটোরের লালপুরে একটি বাগানের আম গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল কণ্ঠশিল্পী রেজাউল করিমের মরদেহ। শনিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের ঢুষপাড়া কৃষ্ণরামপুর গ্রাম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রেজাউল করিমের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দিঘা গ্রামে। তাঁকে নিয়ে গত ৮ আগস্ট ‘আজকের পত্রিকার শেষ পাতায় ‘কণ্ঠে মানবেন্দ্র, জীবন মানবেতর’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় মিঠুন কুমার সরকার জানান, উপজেলার কৃষ্ণরামপুর গ্রামের নিখিল সরকারের মেয়ে চৈতালি রানি সরকারের বিয়েতে বাদ্যযন্ত্র ক্যাসিও বাজানোর জন্য গত শুক্রবার আসেন রেজাউল করিম। আজ বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শরীর খারাপ লাগার কথা বলে ঘুমাতে যান। বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেলে তিনি ফিরে না আসায় সবাই খোঁজাখুঁজি শুরু করে। বেলা ৩টার দিকে বাড়ির পেছনের আমবাগানে গাছের ডালের ঝোলা অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। কাঁচা পাটের দড়িতে ঝোলানো মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলুর রহমান বলেন, তিনি সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে এ খবর পান। আব্দুলপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক হিরেন্দ্র নাথ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তিনি ও বড়াইগ্রাম সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রওনা হয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে