নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নূরতাজ বেগম (৬০) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল বুধবার রাতে শহরের দক্ষিণ কান্দাপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে নূরতাজ বেগমের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনেরা। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপপরিদর্শক নইমুল মোস্তাকের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল নূরতাজ বেগমকে ১০ কেজি গাঁজাসহ শহরের ভেলানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে রাখা হয়। রাত ৩টার দিকে নূরতাজ বেগম অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে নরসিংদী ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল পৌনে ৮টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং কিছুক্ষণ পর তাঁর মৃত্যু হয়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. পলাশ মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এবডমিন পেইন থাকায় রাতে ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা দেওয়ার পর তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বুক ব্যথা শুরু হলে তাঁর মৃত্যু হয়। হৃদ্রোগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে।’
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গাঁজাসহ গ্রেপ্তারের পর ডিবি হেফাজতে থাকা ওই নারী অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

নরসিংদীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নূরতাজ বেগম (৬০) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল বুধবার রাতে শহরের দক্ষিণ কান্দাপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে নূরতাজ বেগমের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনেরা। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপপরিদর্শক নইমুল মোস্তাকের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল নূরতাজ বেগমকে ১০ কেজি গাঁজাসহ শহরের ভেলানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে রাখা হয়। রাত ৩টার দিকে নূরতাজ বেগম অসুস্থ বোধ করলে তাঁকে নরসিংদী ১০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল পৌনে ৮টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং কিছুক্ষণ পর তাঁর মৃত্যু হয়।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. পলাশ মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এবডমিন পেইন থাকায় রাতে ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা দেওয়ার পর তিনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বুক ব্যথা শুরু হলে তাঁর মৃত্যু হয়। হৃদ্রোগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে।’
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গাঁজাসহ গ্রেপ্তারের পর ডিবি হেফাজতে থাকা ওই নারী অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে