রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরায় স্বামীর ঘর ছেড়ে বিয়ের দাবিতে সামি (১৮) নামের এক প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী (১৮)। আজ শনিবার সকাল ১০টায় পৌরসভার হাসিমপুর এলাকায় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থা নেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন মাস আগে উভয় পরিবারের সম্মতিতে একই গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ওই তরুণীর। কিন্তু স্থানীয় স্কুলে পড়ার সময় চার বছর আগে সামির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই তরুণীর। বিয়ের পরও স্বামীর অনুপস্থিতিতে মোবাইলে ওই সামির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন তিনি। এ নিয়ে কয়েক দফায় গ্রাম্য সালিসি হয়।
গত তিন দিন আগে সালিসি মীমাংসায় স্বামীর সংসার করবে না বলে তালাক দিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন তিনি। এরপর আজ শনিবার সকালে বাবার বাড়ি থেকে ওই প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন। প্রেমিককে না পেয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করেন।
এদিকে প্রেমিকের পরিবার এ ঘটনার পর ঘরে তালাবদ্ধ করে অন্যত্র চলে যায়। অন্যদিকে প্রেমিকও উধাও। প্রেমিককে না পেয়ে ওই তরুণী রান্না ঘরে অনশনে বসেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ অনশন। এ নিয়ে সকাল থেকে দিনব্যাপী এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রেমিক সামির বাড়িতে ভিড় জমান এলাকাবাসী।
প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই তরুণী বলেন, ‘সামির সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। তাঁকে আমার সামনে এনে হাজির করেন। বিয়ের পরও প্রতিনিয়ত তাঁর সঙ্গে কথা হতো আমার। বিয়ে করবে বলে স্বামীর ঘর ছেড়ে বাড়িতে এসেছি। তাঁকে না পেলে মরে যাব, তাঁকেই চাই।’ এ সময় তিনি সামিকে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দেন।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে প্রেমিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে সামি ও স্বজনদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ নিয়ে পৌর কমিশনার নাহিদ মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনাটি শুনে খোঁজ খবর নিচ্ছি।’

নরসিংদীর রায়পুরায় স্বামীর ঘর ছেড়ে বিয়ের দাবিতে সামি (১৮) নামের এক প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী (১৮)। আজ শনিবার সকাল ১০টায় পৌরসভার হাসিমপুর এলাকায় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থা নেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন মাস আগে উভয় পরিবারের সম্মতিতে একই গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ওই তরুণীর। কিন্তু স্থানীয় স্কুলে পড়ার সময় চার বছর আগে সামির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই তরুণীর। বিয়ের পরও স্বামীর অনুপস্থিতিতে মোবাইলে ওই সামির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন তিনি। এ নিয়ে কয়েক দফায় গ্রাম্য সালিসি হয়।
গত তিন দিন আগে সালিসি মীমাংসায় স্বামীর সংসার করবে না বলে তালাক দিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন তিনি। এরপর আজ শনিবার সকালে বাবার বাড়ি থেকে ওই প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন। প্রেমিককে না পেয়ে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করেন।
এদিকে প্রেমিকের পরিবার এ ঘটনার পর ঘরে তালাবদ্ধ করে অন্যত্র চলে যায়। অন্যদিকে প্রেমিকও উধাও। প্রেমিককে না পেয়ে ওই তরুণী রান্না ঘরে অনশনে বসেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ অনশন। এ নিয়ে সকাল থেকে দিনব্যাপী এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রেমিক সামির বাড়িতে ভিড় জমান এলাকাবাসী।
প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই তরুণী বলেন, ‘সামির সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। তাঁকে আমার সামনে এনে হাজির করেন। বিয়ের পরও প্রতিনিয়ত তাঁর সঙ্গে কথা হতো আমার। বিয়ে করবে বলে স্বামীর ঘর ছেড়ে বাড়িতে এসেছি। তাঁকে না পেলে মরে যাব, তাঁকেই চাই।’ এ সময় তিনি সামিকে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দেন।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে প্রেমিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে সামি ও স্বজনদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ নিয়ে পৌর কমিশনার নাহিদ মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনাটি শুনে খোঁজ খবর নিচ্ছি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে