রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার গৌরীপুর এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত ও বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষে তারা আহত হন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণসহ বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলে গৌরিপুর এলাকার পাঠান বাড়ি ও মোল্লা বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে রায়পুরা থানা-পুলিশ।
জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর মুছাপুর ইউপি নির্বাচনে পাঠান বাড়ির মো. সানাউল্লাহ ভূঁইয়া আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অপরদিকে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হোসেন ভূঁইয়া। ওই নির্বাচনে হোসেন ভূঁইয়ার নৌকা প্রতীক পুড়িয়ে দেয় আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. ছানাউল্লাহ ভূঁইয়ার সমর্থকেরা।
ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে গত বৃহস্পতিবার বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর নগর গ্রামে ওয়াজ মাহফিলে মোল্লা বাড়ি ও পাঠান বাড়ির লোকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। রাতে ওয়াজ থেকে বাড়িতে আসার পথে আনারস প্রতীকের সমর্থক কামাল পাঠানের লোকজন মোল্লা বাড়ির নৌকার সমর্থকদের মারধর করে।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে শুক্রবার দুপুরে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আহত হন ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভৈরবের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) সত্যজিৎ কুমার ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার উপজেলার গৌরীপুর এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত ও বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষে তারা আহত হন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণসহ বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলে গৌরিপুর এলাকার পাঠান বাড়ি ও মোল্লা বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে রায়পুরা থানা-পুলিশ।
জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর মুছাপুর ইউপি নির্বাচনে পাঠান বাড়ির মো. সানাউল্লাহ ভূঁইয়া আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অপরদিকে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হোসেন ভূঁইয়া। ওই নির্বাচনে হোসেন ভূঁইয়ার নৌকা প্রতীক পুড়িয়ে দেয় আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. ছানাউল্লাহ ভূঁইয়ার সমর্থকেরা।
ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে গত বৃহস্পতিবার বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর নগর গ্রামে ওয়াজ মাহফিলে মোল্লা বাড়ি ও পাঠান বাড়ির লোকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। রাতে ওয়াজ থেকে বাড়িতে আসার পথে আনারস প্রতীকের সমর্থক কামাল পাঠানের লোকজন মোল্লা বাড়ির নৌকার সমর্থকদের মারধর করে।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে শুক্রবার দুপুরে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আহত হন ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভৈরবের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) সত্যজিৎ কুমার ঘোষ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১ মিনিট আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে