নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদী জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার পৃথক সময়ে জেলার রায়পুরা, মনোহরদী ও শিবপুর উপজেলায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাতরদিয়া গ্রামের মৃত বাদল মিয়ার ছেলে প্রবাস ফেরত রায়হান মিয়া (৩০), রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের মোমরাজ মিয়ার স্ত্রী সামসুন নাহার (৪৫), নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে জাবেদ মিয়া (১২) ও শিবপুর উপজেলার সাধারচর এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়া (৩০)।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির অদূরে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন দৌলতপুর ইউনিয়নের পাতরদিয়া গ্রামের প্রবাস ফেরত রায়হান মিয়া। হঠাৎ বজ্রসহ ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির অদূরে পৌঁছামাত্র বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁর লাশ উদ্ধার করে বলে জানান দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরীফ মাহমুদ খান বাহালুল। দুই মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন কাতার প্রবাসী রায়হান মিয়া।
এদিকে বেলা ১১টার দিকে বজ্রপাতে নিহত হন রায়পুরার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের গৃহবধূ সামসুন নাহার। শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জালাল উদ্দিন জানান, ওই গৃহবধূ বাড়ির পাশের একটি জমি থেকে খড় আনতে গিয়েছিলেন। তখন বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে স্বজনেরা গিয়ে শামসুন্নাহারের লাশ উদ্ধার করেন।
এছাড়া দুপুর আড়াইটার দিকে একই উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুরে বাড়ির সামনে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জাবেদ মিয়া নামে এক কিশোরের। ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে সকালে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় শিবপুর উপজেলার সাধারচর এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়ার (৩০)। তাঁকে পাশের পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিয়াজ মোর্শেদ মৃত ঘোষণা করেন।

নরসিংদী জেলার পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার পৃথক সময়ে জেলার রায়পুরা, মনোহরদী ও শিবপুর উপজেলায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পাতরদিয়া গ্রামের মৃত বাদল মিয়ার ছেলে প্রবাস ফেরত রায়হান মিয়া (৩০), রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের মোমরাজ মিয়ার স্ত্রী সামসুন নাহার (৪৫), নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে জাবেদ মিয়া (১২) ও শিবপুর উপজেলার সাধারচর এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়া (৩০)।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির অদূরে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন দৌলতপুর ইউনিয়নের পাতরদিয়া গ্রামের প্রবাস ফেরত রায়হান মিয়া। হঠাৎ বজ্রসহ ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির অদূরে পৌঁছামাত্র বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁর লাশ উদ্ধার করে বলে জানান দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরীফ মাহমুদ খান বাহালুল। দুই মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরেছিলেন কাতার প্রবাসী রায়হান মিয়া।
এদিকে বেলা ১১টার দিকে বজ্রপাতে নিহত হন রায়পুরার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর গ্রামের গৃহবধূ সামসুন নাহার। শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জালাল উদ্দিন জানান, ওই গৃহবধূ বাড়ির পাশের একটি জমি থেকে খড় আনতে গিয়েছিলেন। তখন বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে স্বজনেরা গিয়ে শামসুন্নাহারের লাশ উদ্ধার করেন।
এছাড়া দুপুর আড়াইটার দিকে একই উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের গোপীনাথপুরে বাড়ির সামনে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জাবেদ মিয়া নামে এক কিশোরের। ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে সকালে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয় শিবপুর উপজেলার সাধারচর এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়ার (৩০)। তাঁকে পাশের পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিয়াজ মোর্শেদ মৃত ঘোষণা করেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৯ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১৩ মিনিট আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪০ মিনিট আগে