আসাদুজ্জামান রিপন, নরসিংদী

নরসিংদীর রায়পুরায় আড়িয়াল খাঁ নদী খননের সাত বছর পর কৃষকের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে রাখা মাটি নিলামে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষকদের জানানো হয়নি, প্রচারও ছিল না। ৭০ পয়সা ফুট দরে মাটি কিনেছেন উপজেলার বিএনপিপন্থী দুজন নেতা। তাঁরা এখন সেই মাটি ৭–৮ টাকা ফুট দরে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এতে বিপাকে পড়েছেন ওই জমিতে কলা, পেয়ারাবাগান, কৃষি ফসল বা ঘরবাড়ি তৈরি করা কৃষকেরা। তাঁরা নিলাম বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
কৃষকেরা জানান, ২০১৮ সালে চরমরজাল এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদী খননের পর তাঁদের জমিতে রাখা হয় এসব মাটি। অলিখিত চুক্তি অনুযায়ী জমির ভাড়া ও মাটির ৪০ শতাংশ কৃষকদের দেওয়ার কথা ছিল। তবে সময়ের ব্যবধানে কেউ কেউ ফসল ফলিয়েছেন, কেউ ঘরবাড়ি তুলেছেন।

সম্প্রতি তাঁরা জানতে পারেন, প্রশাসন কোনো ধরনের জানানো বা প্রচার ছাড়াই মাটি নিলামে বিক্রি করেছে। ৭০ পয়সা ফুট দরে মাটি কিনেছেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ফিরোজ আল মোজাহিদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আক্তার মিয়া।
ভুক্তভোগী কৃষক খোরশেদ আলম, নূরুল ইসলাম, আব্দুল হান্নানসহ কয়েকজন বলেন, ‘আমরা যদি চাইতাম, অনেক আগেই মাটি বিক্রি করতে পারতাম। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে, ৮ টাকা ফুট দরে কিনতে না পারলে আমাদের জমির মাটি সরিয়ে ফেলা হবে।’
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রচার করে নিলাম দেওয়া হয়েছে। কৃষকেরা কেন জানতে পারেননি, বুঝতে পারছি না। তবে অনেকে এসে জানিয়েছেন, তাঁদের জমিতে এখন ঘরবাড়ি ও ফসল রয়েছে।’
নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘সরকারি রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে নিয়ম মেনেই নিলাম হয়েছে।’ এর বাইরে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

নরসিংদীর রায়পুরায় আড়িয়াল খাঁ নদী খননের সাত বছর পর কৃষকের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে রাখা মাটি নিলামে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষকদের জানানো হয়নি, প্রচারও ছিল না। ৭০ পয়সা ফুট দরে মাটি কিনেছেন উপজেলার বিএনপিপন্থী দুজন নেতা। তাঁরা এখন সেই মাটি ৭–৮ টাকা ফুট দরে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এতে বিপাকে পড়েছেন ওই জমিতে কলা, পেয়ারাবাগান, কৃষি ফসল বা ঘরবাড়ি তৈরি করা কৃষকেরা। তাঁরা নিলাম বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
কৃষকেরা জানান, ২০১৮ সালে চরমরজাল এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদী খননের পর তাঁদের জমিতে রাখা হয় এসব মাটি। অলিখিত চুক্তি অনুযায়ী জমির ভাড়া ও মাটির ৪০ শতাংশ কৃষকদের দেওয়ার কথা ছিল। তবে সময়ের ব্যবধানে কেউ কেউ ফসল ফলিয়েছেন, কেউ ঘরবাড়ি তুলেছেন।

সম্প্রতি তাঁরা জানতে পারেন, প্রশাসন কোনো ধরনের জানানো বা প্রচার ছাড়াই মাটি নিলামে বিক্রি করেছে। ৭০ পয়সা ফুট দরে মাটি কিনেছেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ফিরোজ আল মোজাহিদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আক্তার মিয়া।
ভুক্তভোগী কৃষক খোরশেদ আলম, নূরুল ইসলাম, আব্দুল হান্নানসহ কয়েকজন বলেন, ‘আমরা যদি চাইতাম, অনেক আগেই মাটি বিক্রি করতে পারতাম। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে, ৮ টাকা ফুট দরে কিনতে না পারলে আমাদের জমির মাটি সরিয়ে ফেলা হবে।’
রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রচার করে নিলাম দেওয়া হয়েছে। কৃষকেরা কেন জানতে পারেননি, বুঝতে পারছি না। তবে অনেকে এসে জানিয়েছেন, তাঁদের জমিতে এখন ঘরবাড়ি ও ফসল রয়েছে।’
নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘সরকারি রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে নিয়ম মেনেই নিলাম হয়েছে।’ এর বাইরে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে