সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) এক ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহ পরান (৩২) বাদী হয়ে সোমবার রাতে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০ / ১২ জনকে উল্লেখ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া মুনলাইট গার্মেন্টস এলাকার ইউসুফ আলী প্রধানের ছেলে হান্নান প্রধান (৪০), সোনা মিয়া মার্কেট এলাকার কাদিরের ছেলে মো. ফিরোজ (৩৮) ও আইলপাড়া এলাকার মুসলিম জাউল্লার ছেলে মিজান (৩০)।
অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, ব্যবসায়ী শাহ পরান আদমজী ইপিজেডের (ইপিক-৭) গার্মেন্টসের বালু সাপ্লাইর মেমো প্রদান করতে গেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতির ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. হান্নান প্রধান, মো. ফিরোজ ও মিজানসহ অজ্ঞাত ১০ / ১২ জনের একটি দল তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তাঁরা ওই ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে একাধিক মামলার আসামি হান্নান প্রধানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করে। হামলার সময় অভিযুক্ত ফিরোজ শাহ পরানের কাছে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দুটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ওই ব্যবসায়ীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত হান্নান প্রধান ও তাঁর লোকজন শাহ পরানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, মূলত ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব থেকেই তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুনেছি সাপ্লাইয়ের লাইন নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) এক ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শাহ পরান (৩২) বাদী হয়ে সোমবার রাতে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০ / ১২ জনকে উল্লেখ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জের সুমিলপাড়া মুনলাইট গার্মেন্টস এলাকার ইউসুফ আলী প্রধানের ছেলে হান্নান প্রধান (৪০), সোনা মিয়া মার্কেট এলাকার কাদিরের ছেলে মো. ফিরোজ (৩৮) ও আইলপাড়া এলাকার মুসলিম জাউল্লার ছেলে মিজান (৩০)।
অভিযোগপত্র থেকে জানা গেছে, ব্যবসায়ী শাহ পরান আদমজী ইপিজেডের (ইপিক-৭) গার্মেন্টসের বালু সাপ্লাইর মেমো প্রদান করতে গেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতির ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. হান্নান প্রধান, মো. ফিরোজ ও মিজানসহ অজ্ঞাত ১০ / ১২ জনের একটি দল তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তাঁরা ওই ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে একাধিক মামলার আসামি হান্নান প্রধানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা করে। হামলার সময় অভিযুক্ত ফিরোজ শাহ পরানের কাছে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দুটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ওই ব্যবসায়ীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত হান্নান প্রধান ও তাঁর লোকজন শাহ পরানকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, মূলত ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব থেকেই তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শুনেছি সাপ্লাইয়ের লাইন নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে