সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার জন্য অসুস্থতার অভিনয় করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রেমিকা। ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য অসুস্থতার ভান (বুকে ব্যথা) করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান খাদিজা (১৮)। অতঃপর ঘটনাপ্রবাহে হাসপাতালেই তাদের বিয়ে হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডের মা হাসপাতালে তাঁদের বিয়ে হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বুকে ব্যথা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের হাউজিং এলাকার মো. ইউসুফের মেয়ে খাদিজা (১৮) স্থানীয় মা হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা-বাবা।
হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মাহফুজের সন্দেহ হয় খাদিজাকে দেখে। তিনি খাদিজার অভিনয়ের বিষয়টি বুঝতে পারলে তাঁর বাবা-মাকে চেম্বার থেকে কিছুক্ষণের জন্য বাইরে পাঠান।
পরে চিকিৎসক খাদিজার কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে খাদিজা বলেন, 'আমি ওয়ালীউল্লাহ নামে একজনকে ভালোবাসি। তবে আমার বিয়ে অন্য জায়গায় ঠিক করায় আমাকে অসুস্থতার অভিনয় করতে হয়েছে।'
এরপর চিকিৎসক খাদিজার প্রেমিককে ফোন করে খাদিজা অনেক বেশি অসুস্থ জানিয়ে তাঁকে হাসপাতালে আসতে বলেন। ছেলে আসতে রাজি হলে তিনি মেয়ের বাবাকে বিষয়টি জানান।
এতে বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েকে বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না বলে জানান। কিন্তু মেয়ে খাদিজাও বিয়ের বিষয়ে অনড় সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ছেলেমেয়ে দুজনেই গার্মেন্টসকর্মী।
বিয়েতে ছেলের পক্ষ থেকে ছেলের দুলাভাই আর খালা উপস্থিত হন। পরে হাসপাতালের সব ডাক্তার, নার্স ও স্টাফদের সহযোগিতায় সুন্দরভাবেই তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে মা হাসপাতালের রিসেপশনের দায়িত্বে থাকা মো. সোহাগ বলেন, 'গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে তাঁদের বিয়ে হয়েছে।'

ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার জন্য অসুস্থতার অভিনয় করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন প্রেমিকা। ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য অসুস্থতার ভান (বুকে ব্যথা) করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান খাদিজা (১৮)। অতঃপর ঘটনাপ্রবাহে হাসপাতালেই তাদের বিয়ে হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডের মা হাসপাতালে তাঁদের বিয়ে হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বুকে ব্যথা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের হাউজিং এলাকার মো. ইউসুফের মেয়ে খাদিজা (১৮) স্থানীয় মা হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা-বাবা।
হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক মাহফুজের সন্দেহ হয় খাদিজাকে দেখে। তিনি খাদিজার অভিনয়ের বিষয়টি বুঝতে পারলে তাঁর বাবা-মাকে চেম্বার থেকে কিছুক্ষণের জন্য বাইরে পাঠান।
পরে চিকিৎসক খাদিজার কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে খাদিজা বলেন, 'আমি ওয়ালীউল্লাহ নামে একজনকে ভালোবাসি। তবে আমার বিয়ে অন্য জায়গায় ঠিক করায় আমাকে অসুস্থতার অভিনয় করতে হয়েছে।'
এরপর চিকিৎসক খাদিজার প্রেমিককে ফোন করে খাদিজা অনেক বেশি অসুস্থ জানিয়ে তাঁকে হাসপাতালে আসতে বলেন। ছেলে আসতে রাজি হলে তিনি মেয়ের বাবাকে বিষয়টি জানান।
এতে বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েকে বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না বলে জানান। কিন্তু মেয়ে খাদিজাও বিয়ের বিষয়ে অনড় সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তাঁদের বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ছেলেমেয়ে দুজনেই গার্মেন্টসকর্মী।
বিয়েতে ছেলের পক্ষ থেকে ছেলের দুলাভাই আর খালা উপস্থিত হন। পরে হাসপাতালের সব ডাক্তার, নার্স ও স্টাফদের সহযোগিতায় সুন্দরভাবেই তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে মা হাসপাতালের রিসেপশনের দায়িত্বে থাকা মো. সোহাগ বলেন, 'গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে তাঁদের বিয়ে হয়েছে।'

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে