সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের শান্তিরবাজার গুদারাঘাট ও মসলেন্দপুর গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আজ দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মান্দারপাড়া গ্রামের মো. ডালিম মিয়া একই গ্রামের নুর মোহাম্মদ ওরফে নুরা পাগলার কাছে পাওনা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত চান। চার মাস আগে পিকআপ ভ্যান কেনার জন্য ওই টাকা নুর মোহাম্মদ ধার নিয়েছিলেন। টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা করলে নুর মোহাম্মদ ও ডালিমের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদ ডালিমকে ধাওয়া দেন। ডালিম ধাওয়া খেয়ে একটি গ্যারেজে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেন। এ সময় নুর মোহাম্মদের সমর্থকেরা এসে সেই গ্যারেজের দরজা ও জানালা কুপিয়ে নষ্ট করেন। এরপর দ্বিতীয় দফায় মসলেন্দপুর গ্রামে নুর মোহাম্মদ তাঁর লোকজন নিয়ে ডালিমের বাড়িতে গিয়ে হামলা করেন। হামলাকারীরা শালিম, আব্দুল হাই, ওয়াসকুরুনী, রিনা বেগম, জয়নাল আবেদিনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাক্তকভাবে আহত করেন। ডালিমের পক্ষের লোকজন নুর মোহাম্মদের সমর্থক শরীফ, জনু মিয়া ও রিপন মিয়াকে আহত করেন।
এ হামলার ঘটনায় ডালিমের চাচাতো ভাই আহত আব্দুল হাই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ করেন।
ডালিম মিয়া জানান, নুর মোহাম্মদের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে তাঁকে ধাওয়া করে না পেয়ে গ্যারেজে ভাঙচুর চালান। নুর মোহাম্মদ তাঁর লোকজন নিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর করেছেন। একপর্যায়ে তাঁরা গরু, ছাগল, ভেড়া ও আসবাপত্র লুট করে নিয়ে যান। তাঁরা সেখানে আটজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন।
অভিযোগের ব্যাপারে নুর মোহাম্মদ জানান, তর্কবিতর্কের জেরে তাঁর লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে তিনজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। তবে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা তাঁরা ঘটাননি। তাঁর লোকজনকে আহত করার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেবেন বলে তিনি জানান।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান খান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এক পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের শান্তিরবাজার গুদারাঘাট ও মসলেন্দপুর গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আজ দুপুরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মান্দারপাড়া গ্রামের মো. ডালিম মিয়া একই গ্রামের নুর মোহাম্মদ ওরফে নুরা পাগলার কাছে পাওনা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত চান। চার মাস আগে পিকআপ ভ্যান কেনার জন্য ওই টাকা নুর মোহাম্মদ ধার নিয়েছিলেন। টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা করলে নুর মোহাম্মদ ও ডালিমের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদ ডালিমকে ধাওয়া দেন। ডালিম ধাওয়া খেয়ে একটি গ্যারেজে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেন। এ সময় নুর মোহাম্মদের সমর্থকেরা এসে সেই গ্যারেজের দরজা ও জানালা কুপিয়ে নষ্ট করেন। এরপর দ্বিতীয় দফায় মসলেন্দপুর গ্রামে নুর মোহাম্মদ তাঁর লোকজন নিয়ে ডালিমের বাড়িতে গিয়ে হামলা করেন। হামলাকারীরা শালিম, আব্দুল হাই, ওয়াসকুরুনী, রিনা বেগম, জয়নাল আবেদিনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাক্তকভাবে আহত করেন। ডালিমের পক্ষের লোকজন নুর মোহাম্মদের সমর্থক শরীফ, জনু মিয়া ও রিপন মিয়াকে আহত করেন।
এ হামলার ঘটনায় ডালিমের চাচাতো ভাই আহত আব্দুল হাই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ করেন।
ডালিম মিয়া জানান, নুর মোহাম্মদের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে তাঁকে ধাওয়া করে না পেয়ে গ্যারেজে ভাঙচুর চালান। নুর মোহাম্মদ তাঁর লোকজন নিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর করেছেন। একপর্যায়ে তাঁরা গরু, ছাগল, ভেড়া ও আসবাপত্র লুট করে নিয়ে যান। তাঁরা সেখানে আটজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন।
অভিযোগের ব্যাপারে নুর মোহাম্মদ জানান, তর্কবিতর্কের জেরে তাঁর লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে তিনজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। তবে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা তাঁরা ঘটাননি। তাঁর লোকজনকে আহত করার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেবেন বলে তিনি জানান।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান খান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এক পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৬ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে