প্রতিনিধি, নওগাঁ সদর (নওগাঁ)

বেঁচে থাকতে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সমর্থকদের সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না মর্মে বিশ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পে করা হলফনামায় লিখেছেন এক ব্রাজিল–সমর্থক। অনেকটা তাচ্ছিল্যের ভাষায় এই অঙ্গীকারনামা লিখেছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই হলফনামা দেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল বাকী নামের এক যুবক। স্ট্যাম্পে এক কপি ছবি সংযুক্ত করে তার নিচে স্বাক্ষর করেছেন। সাক্ষী রেখেছেন আরেক ব্রাজিল–সমর্থককে। পরে তিনি তাঁর ফেসবুকের টাইমলাইনে এটি প্রকাশ করেন।
হলফনামায় আব্দুল্লাহ আল বাকী লিখেছেন, ‘আমি আব্দুল্লাহ আল বাকী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। আমি ২০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, এই দুনিয়ায় যত দিন বেঁচে থাকব, তত দিন আর্জেন্টিনা দলের কোনো সমর্থকের সাথে তর্কে জড়াব না।' কারণও উল্লেখ করেছেন তিনি, 'কারণ, ওরা কোনো যুক্তিই বুঝে না। এদের আসল উদ্দেশ্য তর্কে জয়লাভ করা। খেলায় না। বিভিন্ন দলের শিরোপা সংখ্যা কথায় আসামাত্রই এরা পাগলা ষাঁড়ের মতো তেড়ে আসে।'
ক্ষোভ আরও আছে। মূল ক্ষোভটি যে ২০১৪ সালকে ঘিরে, তা স্পষ্ট হলো হলফনামার পরের অংশে। হলফনামায় আরও বলেন, 'কতটা নির্বোধ হলে তারা আজও “সেভেন আপ” সেভেন আপ বলে চিল্লা পাল্লা করে; যা দেখে জার্মানির সমর্থকেরাও অনেকটা হতাশ। কারণ, জার্মানির অর্জনটাও তারা নিজেদের অর্জন বলে দাবি করে।'
অঙ্গীকারনামার নিচে ডান পাশে স্বাক্ষর করেন আব্দুল্লাহ আল বাকী। বাম পাশে স্বাক্ষর করেন ব্রাজিলের আরেক সমর্থক সাক্ষী আসিফুজ্জামান। এ ছাড়া অঙ্গীকারনামায় নিজের সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিও যুক্ত করেন আল বাকী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আল বাকী বলেন, ‘আমার সহযোদ্ধা, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলেও ফুটবল খেলার সময় আসলে তাঁদের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়। বারবার বোঝানোর পরও ব্যর্থ হয়ে আমার এই অঙ্গীকারনামা, যাতে আর কখনো তাঁদের সঙ্গে আমায় তর্কে জড়াতে না হয়। তাই এ বিষয়টিই যুক্তিসহকারে বোঝানোর চেষ্টা করেছি আমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বন্ধুদের।’

বেঁচে থাকতে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সমর্থকদের সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না মর্মে বিশ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পে করা হলফনামায় লিখেছেন এক ব্রাজিল–সমর্থক। অনেকটা তাচ্ছিল্যের ভাষায় এই অঙ্গীকারনামা লিখেছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই হলফনামা দেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল বাকী নামের এক যুবক। স্ট্যাম্পে এক কপি ছবি সংযুক্ত করে তার নিচে স্বাক্ষর করেছেন। সাক্ষী রেখেছেন আরেক ব্রাজিল–সমর্থককে। পরে তিনি তাঁর ফেসবুকের টাইমলাইনে এটি প্রকাশ করেন।
হলফনামায় আব্দুল্লাহ আল বাকী লিখেছেন, ‘আমি আব্দুল্লাহ আল বাকী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ। আমি ২০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে, এই দুনিয়ায় যত দিন বেঁচে থাকব, তত দিন আর্জেন্টিনা দলের কোনো সমর্থকের সাথে তর্কে জড়াব না।' কারণও উল্লেখ করেছেন তিনি, 'কারণ, ওরা কোনো যুক্তিই বুঝে না। এদের আসল উদ্দেশ্য তর্কে জয়লাভ করা। খেলায় না। বিভিন্ন দলের শিরোপা সংখ্যা কথায় আসামাত্রই এরা পাগলা ষাঁড়ের মতো তেড়ে আসে।'
ক্ষোভ আরও আছে। মূল ক্ষোভটি যে ২০১৪ সালকে ঘিরে, তা স্পষ্ট হলো হলফনামার পরের অংশে। হলফনামায় আরও বলেন, 'কতটা নির্বোধ হলে তারা আজও “সেভেন আপ” সেভেন আপ বলে চিল্লা পাল্লা করে; যা দেখে জার্মানির সমর্থকেরাও অনেকটা হতাশ। কারণ, জার্মানির অর্জনটাও তারা নিজেদের অর্জন বলে দাবি করে।'
অঙ্গীকারনামার নিচে ডান পাশে স্বাক্ষর করেন আব্দুল্লাহ আল বাকী। বাম পাশে স্বাক্ষর করেন ব্রাজিলের আরেক সমর্থক সাক্ষী আসিফুজ্জামান। এ ছাড়া অঙ্গীকারনামায় নিজের সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিও যুক্ত করেন আল বাকী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আল বাকী বলেন, ‘আমার সহযোদ্ধা, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলেও ফুটবল খেলার সময় আসলে তাঁদের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়। বারবার বোঝানোর পরও ব্যর্থ হয়ে আমার এই অঙ্গীকারনামা, যাতে আর কখনো তাঁদের সঙ্গে আমায় তর্কে জড়াতে না হয়। তাই এ বিষয়টিই যুক্তিসহকারে বোঝানোর চেষ্টা করেছি আমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বন্ধুদের।’

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৯ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে