নওগাঁ প্রতিনিধি

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, করোনা সংক্রমণের শুরুর প্রাক্কালে একটি মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিল এই পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ২ লাখ মানুষ অনাহারে মারা যাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আর মানবিকতার কারণে দেশে একটি মানুষও অনাহারে মারা যায়নি। করোনা ভাইরাস মোকাবিলা প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় সফলতা। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব আর সঠিক দিক নির্দেশনার কারণে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে দ্রুততম সময়ে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক ধনী রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষদের টাকার বিনিময়ে করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হয়েছে। কিন্তু এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার কারণে আপামর জনগণ বিনা মূল্যে করোনার ভ্যাকসিন পেয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকার করোনা মোকাবিলায় সফল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার করোনা কালীন সময়ে প্রতিটা সেক্টরে সহযোগিতা দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। কেবল করোনাকালীন নয় সাংবাদিকদের অসুস্থতাজনিত আর্থিক সহযোগিতাও অব্যাহত রেখেছেন। সাংবাদিকদের প্রতি বর্তমান সরকারের মতো আর কোনো সরকারের সুনজর ছিল না।
জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। এ সময় নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শফিক ছোটনসহ নওগাঁর সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের দ্বিতীয় ধাপে আজ জেলার ১৯ জন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে এবং একজন সাংবাদিককে ১ লাখ টাকাসহ মোট ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, করোনা সংক্রমণের শুরুর প্রাক্কালে একটি মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিল এই পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ২ লাখ মানুষ অনাহারে মারা যাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আর মানবিকতার কারণে দেশে একটি মানুষও অনাহারে মারা যায়নি। করোনা ভাইরাস মোকাবিলা প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় সফলতা। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব আর সঠিক দিক নির্দেশনার কারণে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে দ্রুততম সময়ে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক ধনী রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষদের টাকার বিনিময়ে করোনা প্রতিষেধক ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হয়েছে। কিন্তু এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার কারণে আপামর জনগণ বিনা মূল্যে করোনার ভ্যাকসিন পেয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সরকার করোনা মোকাবিলায় সফল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার করোনা কালীন সময়ে প্রতিটা সেক্টরে সহযোগিতা দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। কেবল করোনাকালীন নয় সাংবাদিকদের অসুস্থতাজনিত আর্থিক সহযোগিতাও অব্যাহত রেখেছেন। সাংবাদিকদের প্রতি বর্তমান সরকারের মতো আর কোনো সরকারের সুনজর ছিল না।
জেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। এ সময় নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শফিক ছোটনসহ নওগাঁর সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের দ্বিতীয় ধাপে আজ জেলার ১৯ জন সাংবাদিককে ১০ হাজার টাকা করে এবং একজন সাংবাদিককে ১ লাখ টাকাসহ মোট ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে