নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর পত্নীতলায় ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গোলযোগ ও সহিংসতায় স্থগিত হওয়া ৪ ইউপির পাঁচটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে এই ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
স্থগিত হওয়া ভোট কেন্দ্রগুলো হলো পত্নীতলা ইউনিয়নের মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোষনগর ইউনিয়নের কমলাবাড়ি ও ঘোষনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আকবর ইউনিয়নের মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পানিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সকালে সাড়ে ৮টার দিকে কৃষ্ণপুর ইউপির পানিওরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোটাররা কেন্দ্রে আসছেন। এ সময় পুরুষদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোট কেন্দ্রের চারপাশ নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ সদস্যেদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
ভোট প্রদান শেষে আলমগীর হোসেন নামের এক ভোটার বলেন, ‘সকাল সকাল এসে ভোট দিলাম। কেন্দ্রের পরিবেশ ভালো। সকালে কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। দুপুরের দিকে হয়তো পুরুষ ভোটারের সংখ্যা বাড়তে পারে।'
আরেক ভোটার সুজন মিয়া জানান, 'গত ৫ জানুয়ারি সারা দিন ভালোই ছিল। সন্ধ্যার দিকে ভোট নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। এ জন্য আজ সকালে এসে ভোট দিয়ে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি।'
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ শেষে উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের দুটি কেন্দ্রের (কমলাবাড়ী ও ঘোষনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ভোটের ব্যালট ও মালামাল নিয়ে ফেরার সময় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর কেন্দ্র দুটির ফল স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনের দিন ভোট গণনার সময় গোলযোগের কারণে উপজেলার পত্নীতলা ইউনিয়নের মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আকবর ইউনিয়নের মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পানিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ফল স্থগিত করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
গত ২৬ জানুয়ারি পত্নীতলার চার ইউনিয়নের ওই পাঁচটি কেন্দ্রের পুনঃ নির্বাচনের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পত্নীতলা ইউপির মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন, আকবরপুর ইউপির মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২৩৭ জন, ঘোষনগর ইউপির ঘোষনগার ও কমলাবাড়ি বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৪৬৫ জন এবং কৃষ্ণপুর ইউপির পানিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৩৪ জন ভোটার পুনরায় আজ সারা দিন ভোট দেবেন। এই চার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবগুলো কেন্দ্রেই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে যে নির্দেশনা পেয়েছি সেই মোতাবেক সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ভোটগ্রহণ শুরু করা করেছি। কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে আছেন। আশা করি আজ সারা দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ভোটগ্রহণসহ পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন সরকার বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ করতে ভোটকেন্দ্রে ও কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ, আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুই কেন্দ্র মিলে একজন এ্যাডিশনাল এসপি, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিমের টহল জোরদার করা হয়েছে।’

নওগাঁর পত্নীতলায় ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গোলযোগ ও সহিংসতায় স্থগিত হওয়া ৪ ইউপির পাঁচটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে এই ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
স্থগিত হওয়া ভোট কেন্দ্রগুলো হলো পত্নীতলা ইউনিয়নের মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোষনগর ইউনিয়নের কমলাবাড়ি ও ঘোষনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আকবর ইউনিয়নের মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পানিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সকালে সাড়ে ৮টার দিকে কৃষ্ণপুর ইউপির পানিওরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোটাররা কেন্দ্রে আসছেন। এ সময় পুরুষদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ভোট কেন্দ্রের চারপাশ নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ সদস্যেদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
ভোট প্রদান শেষে আলমগীর হোসেন নামের এক ভোটার বলেন, ‘সকাল সকাল এসে ভোট দিলাম। কেন্দ্রের পরিবেশ ভালো। সকালে কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি। দুপুরের দিকে হয়তো পুরুষ ভোটারের সংখ্যা বাড়তে পারে।'
আরেক ভোটার সুজন মিয়া জানান, 'গত ৫ জানুয়ারি সারা দিন ভালোই ছিল। সন্ধ্যার দিকে ভোট নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। এ জন্য আজ সকালে এসে ভোট দিয়ে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি।'
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ শেষে উপজেলার ঘোষনগর ইউনিয়নের দুটি কেন্দ্রের (কমলাবাড়ী ও ঘোষনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) ভোটের ব্যালট ও মালামাল নিয়ে ফেরার সময় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর কেন্দ্র দুটির ফল স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনের দিন ভোট গণনার সময় গোলযোগের কারণে উপজেলার পত্নীতলা ইউনিয়নের মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আকবর ইউনিয়নের মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পানিওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ফল স্থগিত করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
গত ২৬ জানুয়ারি পত্নীতলার চার ইউনিয়নের ওই পাঁচটি কেন্দ্রের পুনঃ নির্বাচনের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পত্নীতলা ইউপির মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন, আকবরপুর ইউপির মান্দাইন উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ২৩৭ জন, ঘোষনগর ইউপির ঘোষনগার ও কমলাবাড়ি বিদ্যালয়ের দুটি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ৪৬৫ জন এবং কৃষ্ণপুর ইউপির পানিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৬৩৪ জন ভোটার পুনরায় আজ সারা দিন ভোট দেবেন। এই চার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবগুলো কেন্দ্রেই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে যে নির্দেশনা পেয়েছি সেই মোতাবেক সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ভোটগ্রহণ শুরু করা করেছি। কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে আছেন। আশা করি আজ সারা দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ভোটগ্রহণসহ পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন সরকার বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ করতে ভোটকেন্দ্রে ও কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ, আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুই কেন্দ্র মিলে একজন এ্যাডিশনাল এসপি, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিমের টহল জোরদার করা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে