নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁয় বাস-অটোরিকশার শ্রমিক-মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহীসহ আন্তজেলা ও জেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস ও অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। বিষয়টি নিয়ে এর আগেও বাস ও অটোরিকশার মালিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাসের মালিক-শ্রমিকেরা। এদিকে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বাস না পেয়ে বাধ্য হয়ে অনেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে যাত্রা করেছেন।
সকালে বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেছে, বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বাস না পেয়ে অনেকে ফিরে গেছেন। বেশির ভাগ যাত্রী প্রয়োজনের তাগিদে অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়ায় গন্তব্যে রওনা হন। তবে বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সদর উপজেলা থেকে মাকে নিয়ে রাজশাহী যাওয়ার উদ্দেশ্যে বালুডাঙা বাসস্ট্যান্ড গিয়েছিলেন জোবায়ের হোসেন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে জানতে পারেন পরিবহন ধর্মঘট। বাধ্য হয়ে অটোরিকশায় দেলুয়াবাড়ীর উদ্দেশে রওনা হন—যদি সেখান থেকে রাজশাহীতে পৌঁছানোর কোনো উপায় মেলে।
জোবায়ের বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে আমরা তা জানি না। জানলে হয়তো এভাবে রওনা হতাম না। সামান্য কোনো ঘটনা ঘটলেই বাস বন্ধ থাকে। ভোগান্তি শুধু জনগণের।’
আবুল হাসান নামের এক যাত্রী বলেন, ‘গতকাল সোমবার সদরে এসেছিলাম। সকালে দোকানের মালামাল নিয়ে যাওয়ার পথে টার্মিনালে এসে এখন দেখছি বাস বন্ধ। এখন এতগুলো মালামাল নিয়ে কীভাবে যাব চিন্তায় পড়ে গেলাম।’
বাস ও অটোরিকশাশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে নওগাঁর মান্দায় ফেরিঘাট এলাকায় মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাস ও অটোরিকশার শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ওই ঘটনার পর গতকাল সন্ধ্যায় নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন প্রদান, বাসমালিক গ্রুপের লাঠিয়াল বাহিনী রাস্তা থেকে প্রত্যাহার এবং অটোরিকশার চালককে মারধরের প্রতিবাদে অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিকেরা সড়ক অবরোধ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয় ওই এলাকায়। ওই ঘটনার জেরে বাসশ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে আজ সকাল ৬টা থেকে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাসমালিক-শ্রমিকেরা।
নওগাঁ জেলা বাসমালিক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি আইন অনুযায়ী মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে মহাসড়কে গাড়ি চালাচ্ছেন। এ নিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষের পর প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল করবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতকালও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিএনজি অটোরিকশা চালানোয় বাসশ্রমিকেরা বাধা দিলে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে মান্দার ফেরিঘাট এলাকায় সিএনজির শ্রমিকেরা বাসশ্রমিকদের মারধর করেছেন। ওই ঘটনার জেরে গতকাল সন্ধ্যায় নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য শান্ত মণ্ডল নামে এক শ্রমিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে বাসের চালক ও সহকারীরা আজ সকাল থেকে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।’
নওগাঁ সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশিক হোসেন বলেন, ‘একজন সিএনজিচালককে মান্দার ফেরিঘাটে বাস সমিতির লোকজন মারধর করেছে। সিএনজিও ভাঙচুর করেছে। এ রকম ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে। বাসের লোকজন প্রতিদিনই আমাদের রাস্তায় সিএনজি চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতাও পাচ্ছি না। এ জন্য রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। এর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা সিএনজি চালাব না এবং বাসও চলতে দেব না।’
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন, ‘বাস ও সিএনজি অটোশ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে উভয় পক্ষ যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। যাত্রী দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত বাস চলাচলের জন্য তাঁদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

নওগাঁয় বাস-অটোরিকশার শ্রমিক-মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহীসহ আন্তজেলা ও জেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস ও অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। বিষয়টি নিয়ে এর আগেও বাস ও অটোরিকশার মালিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাসের মালিক-শ্রমিকেরা। এদিকে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বাস না পেয়ে বাধ্য হয়ে অনেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে যাত্রা করেছেন।
সকালে বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেছে, বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে বাস না পেয়ে অনেকে ফিরে গেছেন। বেশির ভাগ যাত্রী প্রয়োজনের তাগিদে অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়ায় গন্তব্যে রওনা হন। তবে বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সদর উপজেলা থেকে মাকে নিয়ে রাজশাহী যাওয়ার উদ্দেশ্যে বালুডাঙা বাসস্ট্যান্ড গিয়েছিলেন জোবায়ের হোসেন। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে জানতে পারেন পরিবহন ধর্মঘট। বাধ্য হয়ে অটোরিকশায় দেলুয়াবাড়ীর উদ্দেশে রওনা হন—যদি সেখান থেকে রাজশাহীতে পৌঁছানোর কোনো উপায় মেলে।
জোবায়ের বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে আমরা তা জানি না। জানলে হয়তো এভাবে রওনা হতাম না। সামান্য কোনো ঘটনা ঘটলেই বাস বন্ধ থাকে। ভোগান্তি শুধু জনগণের।’
আবুল হাসান নামের এক যাত্রী বলেন, ‘গতকাল সোমবার সদরে এসেছিলাম। সকালে দোকানের মালামাল নিয়ে যাওয়ার পথে টার্মিনালে এসে এখন দেখছি বাস বন্ধ। এখন এতগুলো মালামাল নিয়ে কীভাবে যাব চিন্তায় পড়ে গেলাম।’
বাস ও অটোরিকশাশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে নওগাঁর মান্দায় ফেরিঘাট এলাকায় মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাস ও অটোরিকশার শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ওই ঘটনার পর গতকাল সন্ধ্যায় নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অটোরিকশার রেজিস্ট্রেশন প্রদান, বাসমালিক গ্রুপের লাঠিয়াল বাহিনী রাস্তা থেকে প্রত্যাহার এবং অটোরিকশার চালককে মারধরের প্রতিবাদে অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিকেরা সড়ক অবরোধ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয় ওই এলাকায়। ওই ঘটনার জেরে বাসশ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে আজ সকাল ৬টা থেকে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বাসমালিক-শ্রমিকেরা।
নওগাঁ জেলা বাসমালিক সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি আইন অনুযায়ী মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে মহাসড়কে গাড়ি চালাচ্ছেন। এ নিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষের পর প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত হয়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল করবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতকালও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিএনজি অটোরিকশা চালানোয় বাসশ্রমিকেরা বাধা দিলে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে মান্দার ফেরিঘাট এলাকায় সিএনজির শ্রমিকেরা বাসশ্রমিকদের মারধর করেছেন। ওই ঘটনার জেরে গতকাল সন্ধ্যায় নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য শান্ত মণ্ডল নামে এক শ্রমিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে বাসের চালক ও সহকারীরা আজ সকাল থেকে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।’
নওগাঁ সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশিক হোসেন বলেন, ‘একজন সিএনজিচালককে মান্দার ফেরিঘাটে বাস সমিতির লোকজন মারধর করেছে। সিএনজিও ভাঙচুর করেছে। এ রকম ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে। বাসের লোকজন প্রতিদিনই আমাদের রাস্তায় সিএনজি চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতাও পাচ্ছি না। এ জন্য রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। এর সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা সিএনজি চালাব না এবং বাসও চলতে দেব না।’
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন, ‘বাস ও সিএনজি অটোশ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে উভয় পক্ষ যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। যাত্রী দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত বাস চলাচলের জন্য তাঁদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ-ময়মনসিংহ রেলপথের চল্লিশা এলাকায় কমিউটার ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চল্লিশা বাজারসংলগ্ন নতুন বাইপাস মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যেরচর গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছয়জনকে আটক করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, ‘আইনগত কাজ করতে গেলে মানুষ ভুল বোঝে। তারা মনে করে এঁরা (পুলিশ সদস্য) ৫ আগস্টের আগের পুলিশ, তাঁরা কেন গ্রেপ্তার করবেন? তাঁরা কেন রাস্তা ছেড়ে দিতে বলবেন? নির্বিঘ্নে আইন প্রয়োগ করাই পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে জামাল (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শাহনগর এলাকার দীঘির পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে