ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

জোরেশোরে ঘোষণার পরেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করতে পারেনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক)। এতে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে দুর্গন্ধে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও পরদিন রোববার দুপুর পর্যন্ত বর্জ্য অপসারণে কাজ করতে দেখা যায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের।
ঈদের দিন বেলা ৩টার দিকে নগরীর টাউন হল তৈমর টাওয়ারের সামনে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে সিটি করপোরেশনের সচিব এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী সুমনা আল মজীদ ঘোষণা দিয়েছিলেন নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে ওই দিন রাত ৮টার মধ্যে ১২০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী সম্পন্ন করবেন ৩৩টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণ। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অভিজাত কয়েকটি এলাকার বর্জ্য সুন্দরভাবে অপসারণ করা হলেও বেশির ভাগ এলাকার বর্জ্য মানুষের বাসা-বাড়ির সামনে এবং রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে দুর্গন্ধে বাসাবাড়ির মানুষ ও পথচারীকে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। রোববার সকালে নগরীর সানকিপাড়া এলাকায় সিটি করপোরেশনের পাঁচ-সাতজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা যায়।
সেখানকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত সানকিপাড়ার রাস্তাঘাটে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যদিও সকালে এসে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বর্জ্য অপসারণ করেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও নগরের চামড়াগুদাম এলাকায় অর্ধশতাধিক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ৩০-৪০ হাজার চামড়া ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। চামড়া থেকে ছিলানো উচ্ছিষ্ট শিং, লেজ থেকে শুরু করে পচাগলা চামড়া পড়ে থাকতে দেখা যায় রাস্তার পাশে। এতে বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। ফলে রাস্তা দিয়ে যাওয়া পথচারী থেকে শুরু করে এলাকাবাসীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।
পথচারী আবুল হাসেম বলেন, ‘চামড়া থেকে পানি রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছে, এতে চরম দুর্গন্ধ হচ্ছে। সিটি করপোরেশন কোনো দায়িত্বই ঠিকভাবে পালন করছে না। তারা দায়িত্ব পালন করলে আজ রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত চামড়ার উচ্ছিষ্ট রাস্তায় পড়ে থাকত না।’
রাজিয়া ইসলাম নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘রাস্তার ফুটপাতের ওপর স্তূপ করে চামড়া সংরক্ষণ করায় দুর্গন্ধে বাসাবাড়িতে টেকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বাচ্চাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। অন্তত সিটি করপোরেশন যদি ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিত, তাহলেও আমাদের ভোগান্তি কম হতো।’
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সচিব এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী সুমনা আল মজীদ বলেন, ‘ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়ে আমি রাত ১০টা পর্যন্ত সরেজমিন থেকে কাজ করেছি। তার পরেও দুই-এক জায়গায় কিছুটা সমস্যা হতে পারে, তবে চেষ্টা করছি। চামড়াগুদামের ব্যবসায়ীরাই চাচ্ছিলেন ঈদের দুই দিন পর যেন আমরা বর্জ্য অপসারণ করতে যাই। কিন্তু আজ দুপুরেই সেখানে আমাদের লোকজন পাঠিয়ে বর্জ্য অপসারণ করছি। তবে সব কাজেই আমি আন্তরিক, আপনাদের আরেকটু সহযোগিতা পেলে দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করতে পারব।’

জোরেশোরে ঘোষণার পরেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন করতে পারেনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক)। এতে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে দুর্গন্ধে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও পরদিন রোববার দুপুর পর্যন্ত বর্জ্য অপসারণে কাজ করতে দেখা যায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের।
ঈদের দিন বেলা ৩টার দিকে নগরীর টাউন হল তৈমর টাওয়ারের সামনে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে সিটি করপোরেশনের সচিব এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী সুমনা আল মজীদ ঘোষণা দিয়েছিলেন নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে ওই দিন রাত ৮টার মধ্যে ১২০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী সম্পন্ন করবেন ৩৩টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণ। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অভিজাত কয়েকটি এলাকার বর্জ্য সুন্দরভাবে অপসারণ করা হলেও বেশির ভাগ এলাকার বর্জ্য মানুষের বাসা-বাড়ির সামনে এবং রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে দুর্গন্ধে বাসাবাড়ির মানুষ ও পথচারীকে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। রোববার সকালে নগরীর সানকিপাড়া এলাকায় সিটি করপোরেশনের পাঁচ-সাতজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা যায়।
সেখানকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত সানকিপাড়ার রাস্তাঘাটে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যদিও সকালে এসে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বর্জ্য অপসারণ করেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও নগরের চামড়াগুদাম এলাকায় অর্ধশতাধিক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ৩০-৪০ হাজার চামড়া ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। চামড়া থেকে ছিলানো উচ্ছিষ্ট শিং, লেজ থেকে শুরু করে পচাগলা চামড়া পড়ে থাকতে দেখা যায় রাস্তার পাশে। এতে বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। ফলে রাস্তা দিয়ে যাওয়া পথচারী থেকে শুরু করে এলাকাবাসীকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ।
পথচারী আবুল হাসেম বলেন, ‘চামড়া থেকে পানি রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছে, এতে চরম দুর্গন্ধ হচ্ছে। সিটি করপোরেশন কোনো দায়িত্বই ঠিকভাবে পালন করছে না। তারা দায়িত্ব পালন করলে আজ রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত চামড়ার উচ্ছিষ্ট রাস্তায় পড়ে থাকত না।’
রাজিয়া ইসলাম নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘রাস্তার ফুটপাতের ওপর স্তূপ করে চামড়া সংরক্ষণ করায় দুর্গন্ধে বাসাবাড়িতে টেকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে বাচ্চাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। অন্তত সিটি করপোরেশন যদি ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিত, তাহলেও আমাদের ভোগান্তি কম হতো।’
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সচিব এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী সুমনা আল মজীদ বলেন, ‘ঈদের দিন রাত ৮টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়ে আমি রাত ১০টা পর্যন্ত সরেজমিন থেকে কাজ করেছি। তার পরেও দুই-এক জায়গায় কিছুটা সমস্যা হতে পারে, তবে চেষ্টা করছি। চামড়াগুদামের ব্যবসায়ীরাই চাচ্ছিলেন ঈদের দুই দিন পর যেন আমরা বর্জ্য অপসারণ করতে যাই। কিন্তু আজ দুপুরেই সেখানে আমাদের লোকজন পাঠিয়ে বর্জ্য অপসারণ করছি। তবে সব কাজেই আমি আন্তরিক, আপনাদের আরেকটু সহযোগিতা পেলে দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করতে পারব।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৩ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে