প্রতিনিধি

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা): টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে কুল্লাগড়া ও গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া অনেক এলাকার রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাচ্ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় আকারের বন্যা হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
আজ বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন আতঙ্কে দিন-রাত কাটাচ্ছে তীরবর্তী শিবগঞ্জ, ডাকুমারা, কুল্লাগড়া, বড়ইকান্দি, রানীখংসহ বেশ কিছু এলাকার মানুষ। অনেকেই ভাঙনের ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহনলাল সৈকত জানান, দুর্গাপুর পয়েন্টের সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপদ সীমা ১২ দশমিক ৫৫ মিটার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর বিজয়পুর পয়েন্টে বিপদ সীমা ১৫ দশমিক ৮৯ মিটার। সেখানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে ১৪ দশমিক ৫২ মিটার। দুর্গাপুর উপজেলার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৬৮ মিলিমিটার।
দুর্গাপুরের ইউএনও রাজিব উল আহসান বলেন, ‘উজানের ঢল মোকাবিলায় আমরা এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। নদীর তীরবর্তী অঞ্চলগুলোর জনপ্রতিনিধিদের এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। তাঁরা তীরবর্তী এলাকার মানুষের মাঝে দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে আমাদের টিম প্রস্তুত রয়েছে।’

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা): টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে কুল্লাগড়া ও গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া অনেক এলাকার রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাচ্ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় আকারের বন্যা হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
আজ বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন আতঙ্কে দিন-রাত কাটাচ্ছে তীরবর্তী শিবগঞ্জ, ডাকুমারা, কুল্লাগড়া, বড়ইকান্দি, রানীখংসহ বেশ কিছু এলাকার মানুষ। অনেকেই ভাঙনের ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহনলাল সৈকত জানান, দুর্গাপুর পয়েন্টের সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপদ সীমা ১২ দশমিক ৫৫ মিটার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর বিজয়পুর পয়েন্টে বিপদ সীমা ১৫ দশমিক ৮৯ মিটার। সেখানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে ১৪ দশমিক ৫২ মিটার। দুর্গাপুর উপজেলার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৬৮ মিলিমিটার।
দুর্গাপুরের ইউএনও রাজিব উল আহসান বলেন, ‘উজানের ঢল মোকাবিলায় আমরা এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। নদীর তীরবর্তী অঞ্চলগুলোর জনপ্রতিনিধিদের এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। তাঁরা তীরবর্তী এলাকার মানুষের মাঝে দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে আমাদের টিম প্রস্তুত রয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে