মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে প্রাইভেট কারের চালক আনোয়ার হোসেন খোকা হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য আসামি দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমের উপস্থিতিতে এই রায় দেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার সাভারের জোরলপুর কান্দারচর এলাকার চান মিয়া ছেলে হাসান মিয়া ও ইজু মিয়া, একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম মাহমুদ, হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ী এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন, একই এলাকার ওহাব আলীর ছেলে দারোগ আলী ও বাগেরহাটের শরণখোলা থানার দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রহিম।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট নিরঞ্জন বসাক এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরের উদ্দেশে রওনা দেন প্রাইভেট কারের চালক আনোয়ার হোসেন খোকা। রাত ১১টার দিকে স্ত্রী পাপিয়া আক্তার ও পরিবারের লোকজন তাঁর মোবাইল ফোনে কল করলে মোবাইল ফোনটি অপরিচিত এক ব্যক্তি রিসিভ করেন। তিনি জানান, মোবাইল ফোনটি চার্জে দিয়ে রেখে ভাড়ায় চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং গেছেন খোকা। এর দুই দিন পরে মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে চালকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মো. আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মিরপুরের দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতনামা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমের উপস্থিতিতে এই রায় দেওয়া হলো। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

মানিকগঞ্জে প্রাইভেট কারের চালক আনোয়ার হোসেন খোকা হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য আসামি দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমের উপস্থিতিতে এই রায় দেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার সাভারের জোরলপুর কান্দারচর এলাকার চান মিয়া ছেলে হাসান মিয়া ও ইজু মিয়া, একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম মাহমুদ, হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ী এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন, একই এলাকার ওহাব আলীর ছেলে দারোগ আলী ও বাগেরহাটের শরণখোলা থানার দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুর রহিম।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট নিরঞ্জন বসাক এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরের উদ্দেশে রওনা দেন প্রাইভেট কারের চালক আনোয়ার হোসেন খোকা। রাত ১১টার দিকে স্ত্রী পাপিয়া আক্তার ও পরিবারের লোকজন তাঁর মোবাইল ফোনে কল করলে মোবাইল ফোনটি অপরিচিত এক ব্যক্তি রিসিভ করেন। তিনি জানান, মোবাইল ফোনটি চার্জে দিয়ে রেখে ভাড়ায় চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং গেছেন খোকা। এর দুই দিন পরে মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে চালকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মো. আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মিরপুরের দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতনামা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমের উপস্থিতিতে এই রায় দেওয়া হলো। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে