হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

সংবাদ প্রকাশের পরের দিনই সরকারি সহায়তায় এক বান্ডিল ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকার চেক এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে থেকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা পেলেন খেয়া ঘাটের মাঝি চপলা রানী। তিনি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা নতুন বাজার থেকে গোপীনাথপুর বটতলা (মনোপীরের মাজার) ইছামতী নদীতে মানুষ পারাপার করেন।
গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকার অনলাইনে "১৮ বছর ধরে খেয়া ঘাটের মাঝি চপলা রানী " শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের নজরে আসে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম তাঁর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিকুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মালা বড়াল সহ প্রমুখ।
সরকারি সহায়তা পেয়ে চপলা রাণী দাস উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল গণমাধ্যমে চপলা রাণীর এমন জীবনযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশে বিষয়টি আমি জানতে পারি। সাথে সাথে আমি গতকালই জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানাই এবং প্রাথমিকভাবে একবান জিআর ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকা এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৮ হাজার টাকা নগদ প্রদান করি।’
তিনি আরও জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উপজেলা প্রশাসন সব সময়ই পাশে আছে এবং থাকবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা তুলে ধরে এমন সংবাদ পরিবেশনের জন্য উপজেলার সাংবাদিকদেরও তিনি ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স্ক চপলা রাণী দাস উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত সুবাস চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

সংবাদ প্রকাশের পরের দিনই সরকারি সহায়তায় এক বান্ডিল ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকার চেক এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে থেকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা পেলেন খেয়া ঘাটের মাঝি চপলা রানী। তিনি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা নতুন বাজার থেকে গোপীনাথপুর বটতলা (মনোপীরের মাজার) ইছামতী নদীতে মানুষ পারাপার করেন।
গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকার অনলাইনে "১৮ বছর ধরে খেয়া ঘাটের মাঝি চপলা রানী " শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের নজরে আসে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম তাঁর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিকুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মালা বড়াল সহ প্রমুখ।
সরকারি সহায়তা পেয়ে চপলা রাণী দাস উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল গণমাধ্যমে চপলা রাণীর এমন জীবনযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশে বিষয়টি আমি জানতে পারি। সাথে সাথে আমি গতকালই জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানাই এবং প্রাথমিকভাবে একবান জিআর ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকা এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৮ হাজার টাকা নগদ প্রদান করি।’
তিনি আরও জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উপজেলা প্রশাসন সব সময়ই পাশে আছে এবং থাকবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা তুলে ধরে এমন সংবাদ পরিবেশনের জন্য উপজেলার সাংবাদিকদেরও তিনি ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়স্ক চপলা রাণী দাস উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত সুবাস চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে