সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের একটি বিদ্যালয়ে নির্বাচনী পরীক্ষায় মাত্র ২০ জন উত্তীর্ণ হলেও এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২৪৩ জন। অভিযোগ উঠেছে ১ হাজার টাকা করে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সুযোগ দেওয়া হচ্ছে অকৃতকার্য ২২৩ শিক্ষার্থীকে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লাস করানোর কথা বলে শিক্ষকদের বেতন বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার টাকা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সাত বিষয়ে অকৃতকার্য।
এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম নজরুল ইসলাম। উপজেলা প্রশাসন বলছে, এভাবে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. ইসরাফিল বলেন, ‘অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না। আপনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন।’
অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার মান ধরে রাখার জন্য কোচিং ফি বাবদ পরীক্ষার্থী বাবদ ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জামানত হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্যদের কাছ থেকে বিভিন্ন হারে টাকা নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমেনা পারভীন বলেন, ‘কোচিং ফি বাবদ ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। টাকা নেওয়ার বিষয়টিও আমার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের একটি বিদ্যালয়ে নির্বাচনী পরীক্ষায় মাত্র ২০ জন উত্তীর্ণ হলেও এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২৪৩ জন। অভিযোগ উঠেছে ১ হাজার টাকা করে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সুযোগ দেওয়া হচ্ছে অকৃতকার্য ২২৩ শিক্ষার্থীকে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লাস করানোর কথা বলে শিক্ষকদের বেতন বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার টাকা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সাত বিষয়ে অকৃতকার্য।
এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম নজরুল ইসলাম। উপজেলা প্রশাসন বলছে, এভাবে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. ইসরাফিল বলেন, ‘অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না। আপনি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন।’
অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার মান ধরে রাখার জন্য কোচিং ফি বাবদ পরীক্ষার্থী বাবদ ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জামানত হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্যদের কাছ থেকে বিভিন্ন হারে টাকা নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমেনা পারভীন বলেন, ‘কোচিং ফি বাবদ ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। টাকা নেওয়ার বিষয়টিও আমার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২৩ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৮ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩২ মিনিট আগে