সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে দ্বিতীয় ধাপে ১১ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ নভেম্বর। নির্বাচনীয় সহিংসতা এড়াতে প্রতিটি নির্বাচনে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপরও কেন্দ্র দুটিতে বিগত দুই ইউপি নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় ভোটারদের।
চর দুর্গাপুর গ্রামের ফজর আলী, পশ্চিম ভাকুম কেন্দ্রের ভোটার মো. আলমাস উদ্দিন ও মো. বাবুল হোসেনসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, জয়মন্টপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরদুর্গাপুর ও পশ্চিম ভাকুম কেন্দ্র দুটি নদীর এপার-ওপার। প্রতি নির্বাচনেই কেন্দ্রটি দখল নেয় বর্তমান ইউপি সদস্য আব্দুস সালামের লোকজন। ভোট কেন্দ্রে গেলে ওই ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বারের কর্মীরা জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারে। প্রতি নির্বাচনেই ওই কেন্দ্রে মারামারির ঘটনা ঘটে।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদ-প্রার্থী মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কেন্দ্রটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। গত নির্বাচনেও আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। কেন্দ্রটিতে ভোটাররা ভোট দিতে গেলে বর্তমান মেম্বার আব্দুস সালামের লোকজন ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে ইচ্ছে মতো সিল মারে। ভোট কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। প্রশাসনের কাছে দাবি এ বছর যেন মানুষ সুষ্ঠু স্বাভাবিক ভাবে ভোট দিতে পারে।
সিঙ্গাইর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মাহাবুব রোমান চৌধুরী বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অধিক নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) মো. রেজাউল হক বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কে কোন দল করে সেটা দেখার বিষয় নয়। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে দ্বিতীয় ধাপে ১১ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ নভেম্বর। নির্বাচনীয় সহিংসতা এড়াতে প্রতিটি নির্বাচনে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপরও কেন্দ্র দুটিতে বিগত দুই ইউপি নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় ভোটারদের।
চর দুর্গাপুর গ্রামের ফজর আলী, পশ্চিম ভাকুম কেন্দ্রের ভোটার মো. আলমাস উদ্দিন ও মো. বাবুল হোসেনসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, জয়মন্টপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরদুর্গাপুর ও পশ্চিম ভাকুম কেন্দ্র দুটি নদীর এপার-ওপার। প্রতি নির্বাচনেই কেন্দ্রটি দখল নেয় বর্তমান ইউপি সদস্য আব্দুস সালামের লোকজন। ভোট কেন্দ্রে গেলে ওই ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বারের কর্মীরা জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারে। প্রতি নির্বাচনেই ওই কেন্দ্রে মারামারির ঘটনা ঘটে।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদ-প্রার্থী মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, কেন্দ্রটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। গত নির্বাচনেও আমি প্রার্থী হয়েছিলাম। কেন্দ্রটিতে ভোটাররা ভোট দিতে গেলে বর্তমান মেম্বার আব্দুস সালামের লোকজন ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে ইচ্ছে মতো সিল মারে। ভোট কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছি। প্রশাসনের কাছে দাবি এ বছর যেন মানুষ সুষ্ঠু স্বাভাবিক ভাবে ভোট দিতে পারে।
সিঙ্গাইর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মাহাবুব রোমান চৌধুরী বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অধিক নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) মো. রেজাউল হক বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কে কোন দল করে সেটা দেখার বিষয় নয়। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে