মাহিদুল ইসলাম মাহি, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা ইউনিয়নে যাওয়ার সড়কে বন্যার পানি থাকায় ভোগান্তিতে রয়েছে মানুষ। এদিকে আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। ফলে কার্ড গ্রহণ করতে যারা যাবেন তাঁদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড বিতরণ শুরু হবে। এখনো পরিষদ ভবনে যাওয়ার রাস্তায় হাঁটু পানি। এই অবস্থায় স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা পরিষদ ভবনে যেতে কষ্ট হবে। কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজনকে পানির মধ্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে। অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন, নারী আছেন যারা কার্ড গ্রহণের জন্য আসবেন, তাঁদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁরা।
চালা ইউনিয়নের বলর্দি এলাকার মুনশী সোহাগ বলেন, পরিষদের সামনে হাঁটু সমান পানি। এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা ভবনে কীভাবে যাবেন? কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজন কীভাবে লাইনে দাঁড়াবেন এই পানির ভেতর?
৫ নং ওয়ার্ডের রাজরা গ্রামের মেহেদী হাসান মিঠু বলেন, 'আমরা বয়সে তরুণ, আমরা যেতে পারবো কিন্তু বয়স্ক, প্রতিবন্ধী যারা আছেন তাঁরাতো পরিষদের সামনের রাস্তা দিয়ে যেতে পারবেন না। অন্য কোন জায়গা থেকে বিতরণ করলে ভালো হতো।'
আগ্রাইল গ্রামের খন্দকার সাগর হোসেন বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদে সামনের রাস্তার যে অবস্থা এ সময় স্মার্ট কার্ড আনতে যাওয়া সম্ভব না।'
সেবা গ্রহীতাদের নেওয়ার জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম বিশ্বাস বলেন, 'পরিষদের সামনে পানি থাকায় দিয়াবাড়ি হাইস্কুল ও প্রাইমারি স্কুলে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করতে চেয়ে ছিলাম, কিন্তু ব্যবস্থা হয়নি।'
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, 'কার্ড বিতরণ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে দেখি কী করা যায়। আর ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার রাস্তা নিচু, পানি কমে গেলে ওই সড়কটি উঁচু করা হবে।'

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা ইউনিয়নে যাওয়ার সড়কে বন্যার পানি থাকায় ভোগান্তিতে রয়েছে মানুষ। এদিকে আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। ফলে কার্ড গ্রহণ করতে যারা যাবেন তাঁদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, আগামীকাল শনিবার থেকে চালা ইউনিয়নের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড বিতরণ শুরু হবে। এখনো পরিষদ ভবনে যাওয়ার রাস্তায় হাঁটু পানি। এই অবস্থায় স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা পরিষদ ভবনে যেতে কষ্ট হবে। কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজনকে পানির মধ্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে। অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন, নারী আছেন যারা কার্ড গ্রহণের জন্য আসবেন, তাঁদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁরা।
চালা ইউনিয়নের বলর্দি এলাকার মুনশী সোহাগ বলেন, পরিষদের সামনে হাঁটু সমান পানি। এমন পরিস্থিতিতে স্মার্ট কার্ড গ্রহীতারা ভবনে কীভাবে যাবেন? কার্ড গ্রহণের জন্য আসা লোকজন কীভাবে লাইনে দাঁড়াবেন এই পানির ভেতর?
৫ নং ওয়ার্ডের রাজরা গ্রামের মেহেদী হাসান মিঠু বলেন, 'আমরা বয়সে তরুণ, আমরা যেতে পারবো কিন্তু বয়স্ক, প্রতিবন্ধী যারা আছেন তাঁরাতো পরিষদের সামনের রাস্তা দিয়ে যেতে পারবেন না। অন্য কোন জায়গা থেকে বিতরণ করলে ভালো হতো।'
আগ্রাইল গ্রামের খন্দকার সাগর হোসেন বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদে সামনের রাস্তার যে অবস্থা এ সময় স্মার্ট কার্ড আনতে যাওয়া সম্ভব না।'
সেবা গ্রহীতাদের নেওয়ার জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম বিশ্বাস বলেন, 'পরিষদের সামনে পানি থাকায় দিয়াবাড়ি হাইস্কুল ও প্রাইমারি স্কুলে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করতে চেয়ে ছিলাম, কিন্তু ব্যবস্থা হয়নি।'
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, 'কার্ড বিতরণ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে দেখি কী করা যায়। আর ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার রাস্তা নিচু, পানি কমে গেলে ওই সড়কটি উঁচু করা হবে।'

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে