প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর): বাংলাবাজার ঘাট থেকে ফেরি না ছাড়ায় শ্বাসকষ্টসহ এক নবজাতককে নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে পরিবার। দীর্ঘক্ষণ ঘাটে বসে থেকে বিআইডব্লিউটিসি'র বাংলাবাজার ঘাটের লোকজনকে অনুরোধ করেও ওই পরিবারটি ফেরিতে উঠতে পারেনি। রোববার (৯ মে) বিকেলে বাংলাবাজার ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের আটং এলাকায় গতকাল শিশুটির জন্ম হয়। শ্বাসকষ্টসহ নানা কারণে অসুস্থ থাকায় জন্মের কয়েক ঘণ্টা পরই এ নবজাতককে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে খালাসহ স্বজনরা। শ্বাসকষ্টে মুমূর্ষু অবস্থায় থাকায় মা আঁখিকে শরীয়তপুরের হাসপাতালে রেখে যাওয়া হয়। নবজাতকের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও তাঁরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে আটকে যায়।
বাংলাবাজার ঘাটে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা ও হাজারো আকুতি মিনতি করেও তাঁরা ফেরি পায়নি। দীর্ঘ সময় ঘাটে থেকে শিশুটি আরও নিস্তেজ হয়ে পড়লে শেষ পর্যন্ত স্বজনরা শরিয়তপুরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
বাংলাবাজার ঘাটে অ্যাম্বুলেন্সটি এলেও ফেরি না ছেড়ে এমন কঠোর ভূমিকা দেখায় বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা। অথচ, ঘোষণার সময় জরুরি সেবা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
এ নবজাতকের খালা বলেন, 'কয়েক ঘণ্টা আগে শিশুটির জন্ম হয়েছে। ওর মা এখনো হাসপাতালের বিছানায়। বাচ্চাটির শ্বাসকষ্ট হওয়ায় ওকে ঢাকা নিচ্ছিলাম। কিন্তু কোন কিছুতেই ফেরি ছাড়ল না। বাচ্চাটি আরও নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। তাই আবার শরীয়তপুর হাসপাতালেই ফিরে যাচ্ছি।'
১৫ দিন বয়সের নবজাতক রেদোয়ানের মা লাবনী বেগম বলেন, 'বাচ্চাটি খুব অসুস্থ তাই ঢাকায় যাচ্ছি। কিন্তু ফেরি ছাড়ছেই না। রোগীরাও পার হতে পারবে না! এটা কেমন নিয়ম?
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার সালাউদ্দিন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি বন্ধ রাখতে বলেছে তাই বন্ধ। দিনে সব ফেরি বন্ধ থাকবে।'

শিবচর (মাদারীপুর): বাংলাবাজার ঘাট থেকে ফেরি না ছাড়ায় শ্বাসকষ্টসহ এক নবজাতককে নিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে পরিবার। দীর্ঘক্ষণ ঘাটে বসে থেকে বিআইডব্লিউটিসি'র বাংলাবাজার ঘাটের লোকজনকে অনুরোধ করেও ওই পরিবারটি ফেরিতে উঠতে পারেনি। রোববার (৯ মে) বিকেলে বাংলাবাজার ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের আটং এলাকায় গতকাল শিশুটির জন্ম হয়। শ্বাসকষ্টসহ নানা কারণে অসুস্থ থাকায় জন্মের কয়েক ঘণ্টা পরই এ নবজাতককে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে খালাসহ স্বজনরা। শ্বাসকষ্টে মুমূর্ষু অবস্থায় থাকায় মা আঁখিকে শরীয়তপুরের হাসপাতালে রেখে যাওয়া হয়। নবজাতকের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও তাঁরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে আটকে যায়।
বাংলাবাজার ঘাটে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা ও হাজারো আকুতি মিনতি করেও তাঁরা ফেরি পায়নি। দীর্ঘ সময় ঘাটে থেকে শিশুটি আরও নিস্তেজ হয়ে পড়লে শেষ পর্যন্ত স্বজনরা শরিয়তপুরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
বাংলাবাজার ঘাটে অ্যাম্বুলেন্সটি এলেও ফেরি না ছেড়ে এমন কঠোর ভূমিকা দেখায় বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা। অথচ, ঘোষণার সময় জরুরি সেবা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
এ নবজাতকের খালা বলেন, 'কয়েক ঘণ্টা আগে শিশুটির জন্ম হয়েছে। ওর মা এখনো হাসপাতালের বিছানায়। বাচ্চাটির শ্বাসকষ্ট হওয়ায় ওকে ঢাকা নিচ্ছিলাম। কিন্তু কোন কিছুতেই ফেরি ছাড়ল না। বাচ্চাটি আরও নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। তাই আবার শরীয়তপুর হাসপাতালেই ফিরে যাচ্ছি।'
১৫ দিন বয়সের নবজাতক রেদোয়ানের মা লাবনী বেগম বলেন, 'বাচ্চাটি খুব অসুস্থ তাই ঢাকায় যাচ্ছি। কিন্তু ফেরি ছাড়ছেই না। রোগীরাও পার হতে পারবে না! এটা কেমন নিয়ম?
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার সালাউদ্দিন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি বন্ধ রাখতে বলেছে তাই বন্ধ। দিনে সব ফেরি বন্ধ থাকবে।'

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে