মাদারীপুর প্রতিনিধি

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের মস্তফাপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা তাঁদের বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন।
পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় এলাকার গোলাম মাওলা মুন্সির মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৮), মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকার সেলিম মিয়ার মেয়ে তানজিলা আক্তার (১৮), কাজী আল-আমিন (২২)। বাকি একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁরা সবাই মাদারীপুর সরকারি কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মস্তফাপুরে অবস্থান নেন। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুরের জেলা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা সড়ক থেকে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বলেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি হয়। পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে আন্দোলনকারী চার শিক্ষার্থী আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, আন্দোলনকারীরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অবস্থান নিলে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের মস্তফাপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা তাঁদের বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এ ঘটনায় চারজন আহত হয়েছেন।
পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার শাখারপাড় এলাকার গোলাম মাওলা মুন্সির মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৮), মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকার সেলিম মিয়ার মেয়ে তানজিলা আক্তার (১৮), কাজী আল-আমিন (২২)। বাকি একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁরা সবাই মাদারীপুর সরকারি কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মস্তফাপুরে অবস্থান নেন। এ সময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুরের জেলা ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা সড়ক থেকে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বলেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি হয়। পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে আন্দোলনকারী চার শিক্ষার্থী আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, আন্দোলনকারীরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অবস্থান নিলে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
৯ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
১৯ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
৪৪ মিনিট আগে