মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে কাওসার দরজি (২৫) নামের এক যুবক মারা গেছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের উত্তর ঝিকরহাটি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত কাওসার দরজি উত্তর ঝিকরহাটি এলাকার ইদ্রিস দরজির ছেলে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গুরুতর জখম অবস্থায় কাওসার দরজি নামের এক যুবক হাসপাতালে ভর্তি হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঘটমাঝি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হিসেবে ইকবাল দরজি ও আলিম দরজি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ইকবাল দরজি জয়লাভ করেন। নিহত কাওসার দরজি ইকবাল দরজির সমর্থক ছিল।
শনিবার রাতে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে আলিম দরজির সমর্থক ও ইকবাল দরজির সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও হাত বোমা বিস্ফোরণ করে হামলাকারীরা। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আলিম দরজির সমর্থকেরা কাওসার দরজিকে কুপিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন তিনি অবস্থায় মারা যান।
ঘটমাঝি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল দরজি জানান, ‘নির্বাচনে পরাজিত হয়ে আলিম দরজি ও তাঁর সমর্থকেরা হিংস্র হয়ে উঠেছে। তাই তাঁর ভাইয়ের ছেলে এনামুলসহ কয়েকজন কাওসারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তা ছাড়া আলিম দরজি অন্য এলাকা থেকে লোকজন এনে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি এই হত্যার কঠিন বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে জানতে পরাজিত ইউপি সদস্য আলিম দরজির মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘দুপক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক মারা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

মাদারীপুরে নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে কাওসার দরজি (২৫) নামের এক যুবক মারা গেছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের উত্তর ঝিকরহাটি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত কাওসার দরজি উত্তর ঝিকরহাটি এলাকার ইদ্রিস দরজির ছেলে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গুরুতর জখম অবস্থায় কাওসার দরজি নামের এক যুবক হাসপাতালে ভর্তি হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঘটমাঝি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হিসেবে ইকবাল দরজি ও আলিম দরজি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ইকবাল দরজি জয়লাভ করেন। নিহত কাওসার দরজি ইকবাল দরজির সমর্থক ছিল।
শনিবার রাতে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে আলিম দরজির সমর্থক ও ইকবাল দরজির সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও হাত বোমা বিস্ফোরণ করে হামলাকারীরা। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আলিম দরজির সমর্থকেরা কাওসার দরজিকে কুপিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন তিনি অবস্থায় মারা যান।
ঘটমাঝি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল দরজি জানান, ‘নির্বাচনে পরাজিত হয়ে আলিম দরজি ও তাঁর সমর্থকেরা হিংস্র হয়ে উঠেছে। তাই তাঁর ভাইয়ের ছেলে এনামুলসহ কয়েকজন কাওসারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তা ছাড়া আলিম দরজি অন্য এলাকা থেকে লোকজন এনে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি এই হত্যার কঠিন বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে জানতে পরাজিত ইউপি সদস্য আলিম দরজির মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘দুপক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক মারা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে