আজিনুর রহমান আজিম, পাটগ্রাম (লালমনিরহাট)

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কটি প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি প্রায় ৯ বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় এ পথে চলাচলকারীরা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন এ পাকা সড়কটি ২০১৬ সালে খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগের পর ২০২০ সালে করোনাকালে সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়। ওই সময় ইটের খোয়া ও বালু ফেলা হয়। কিন্তু এরপর অজানা কারণে আর কোনো কাজ করা হয়নি। এতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে স্থানীয়রা। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা বিরাজ করছে।
বুড়িমারী ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড অংশের উফামারা, বড়তেলীপাড়া, কামারেরহাট, বেঙ্গেরবাড়ী, নাটারবাড়ী, ষোলঘরিয়া, বামনদল, মাছির বাজার, হাদিসপাড়া, ছোটতেলীপাড়া, প্রধানপাড়া ছাড়াও অন্তত ১৫টি এলাকার বাসিন্দাদের উপজেলা সদরে চলাচলের মূল সড়ক এটি। স্থানীয়দের মতে প্রায় ১০ হাজার পরিবারের সদস্য এ সড়ক ব্যবহার করে থাকে। এ ছাড়া ফাঁড়ি সড়ক হিসেবে অন্যান্য এলাকার আরও কয়েক হাজার বাসিন্দা চলাচল করে থাকে এই পথে।
বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কে গিয়ে দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে গর্ত আর গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে কাদামাটিতে একাকার হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় জনসাধারণকে। বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। ফলে পথচারী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন যানবাহন চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আমানতুল্লাহ প্রধান উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের বলেন, ‘এ রাস্তার জন্য আমাদের অনেক কষ্ট হয়। কাদার ওপর দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। পরনের কাপড় নষ্ট হয়।’

উফারামারা এলাকার বাসিন্দা মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমাদের চলাফেরা করতে হয়। বর্ষায় রাস্তার গর্তে বৃষ্টির পানি জমে কাদা হয়; একদম চলাচল করা যায় না। রাস্তাটির কারণে হাজার হাজার মানুষের কষ্ট হয়। বছরের পর বছর রাস্তাটি এভাবে থাকলেও কেউ ফিরে তাকায়নি।’
বুড়িমারী হাসর উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কটির একদম বাজে অবস্থা। রাস্তাটি দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। রাস্তাটির কারণে শিক্ষার্থীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। রাস্তাটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ জরুরি। এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাটগ্রামের প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম রিফাত বলেন, ‘রাস্তাটির ব্যাপারে জানি। এটি দ্রুত সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে।’
এ ব্যাপারে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাশ বলেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দরের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক। জনদুর্ভোগ হচ্ছে জেনেছি; উপজেলা প্রকৌশলীকে নিয়ে পরিদর্শন করে দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কটি প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি প্রায় ৯ বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় এ পথে চলাচলকারীরা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন এ পাকা সড়কটি ২০১৬ সালে খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগের পর ২০২০ সালে করোনাকালে সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু হয়। ওই সময় ইটের খোয়া ও বালু ফেলা হয়। কিন্তু এরপর অজানা কারণে আর কোনো কাজ করা হয়নি। এতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে স্থানীয়রা। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা বিরাজ করছে।
বুড়িমারী ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড অংশের উফামারা, বড়তেলীপাড়া, কামারেরহাট, বেঙ্গেরবাড়ী, নাটারবাড়ী, ষোলঘরিয়া, বামনদল, মাছির বাজার, হাদিসপাড়া, ছোটতেলীপাড়া, প্রধানপাড়া ছাড়াও অন্তত ১৫টি এলাকার বাসিন্দাদের উপজেলা সদরে চলাচলের মূল সড়ক এটি। স্থানীয়দের মতে প্রায় ১০ হাজার পরিবারের সদস্য এ সড়ক ব্যবহার করে থাকে। এ ছাড়া ফাঁড়ি সড়ক হিসেবে অন্যান্য এলাকার আরও কয়েক হাজার বাসিন্দা চলাচল করে থাকে এই পথে।
বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কে গিয়ে দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে গর্ত আর গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে কাদামাটিতে একাকার হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় জনসাধারণকে। বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। ফলে পথচারী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন যানবাহন চালকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আমানতুল্লাহ প্রধান উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের বলেন, ‘এ রাস্তার জন্য আমাদের অনেক কষ্ট হয়। কাদার ওপর দিয়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। পরনের কাপড় নষ্ট হয়।’

উফারামারা এলাকার বাসিন্দা মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমাদের চলাফেরা করতে হয়। বর্ষায় রাস্তার গর্তে বৃষ্টির পানি জমে কাদা হয়; একদম চলাচল করা যায় না। রাস্তাটির কারণে হাজার হাজার মানুষের কষ্ট হয়। বছরের পর বছর রাস্তাটি এভাবে থাকলেও কেউ ফিরে তাকায়নি।’
বুড়িমারী হাসর উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বাঁশকল থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগামী আঞ্চলিক সড়কটির একদম বাজে অবস্থা। রাস্তাটি দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। রাস্তাটির কারণে শিক্ষার্থীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। রাস্তাটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ জরুরি। এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আশু প্রয়োজন।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাটগ্রামের প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম রিফাত বলেন, ‘রাস্তাটির ব্যাপারে জানি। এটি দ্রুত সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে।’
এ ব্যাপারে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার দাশ বলেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দরের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক। জনদুর্ভোগ হচ্ছে জেনেছি; উপজেলা প্রকৌশলীকে নিয়ে পরিদর্শন করে দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে