প্রতিনিধি, কুমারখালী (কুষ্টিয়া)

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের জয়নাবাদ ইজতেমা মাঠ এলাকার গড়াই নদী মরদেহটি পাওয়া যায়। এ সময় দেখতে নদী পাড়ে ভিড় করে শত শত উৎসুক জনতা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ঘটনাস্থলে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সন্ধ্যায় পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে।

কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের জয়নাবাদ ইজতেমা মাঠ এলাকার গড়াই নদী মরদেহটি পাওয়া যায়। এ সময় দেখতে নদী পাড়ে ভিড় করে শত শত উৎসুক জনতা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ঘটনাস্থলে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সন্ধ্যায় পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে