কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল পৌনে ১টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের জিলাপিতলা এলাকা সংলগ্ন গড়াই নদে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ দুজন হলেন, মিম খাতুন (১৩)। সে এলাকার গাফফার মোল্লার নাতনি ও খোকসা উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের দুধসারি গ্রামের মাসুদ রানার মেয়ে এবং নিখোঁজ চামেলি গাফফার মোল্লার মেয়ে ও একই ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামের তরিকুল রহমানের স্ত্রী।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী সূত্রে, আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে জিলাপিতলা এলাকা সংলগ্ন গড়াই নদে মিম, তাঁর খালা চামেলি, নানি রাজিয়া (৫৫) ও মামাতো বোন নীলা (১২) গোসল করতে যায়। গোসলের সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মিম। এ সময় মিমকে খুঁজতে গিয়ে নানি, খালা ও মামাতো বোন নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে নানি ও খালাতো বোনকে উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখে। এরপর নিখোঁজের প্রায় ৪ ঘণ্টা পরে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে মিমের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা এবং নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পরে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে খালা চামেলি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সদকী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মিম, তার খালা, বোন ও নানির সঙ্গে গোসল করতে নদে যায়। এ সময় মিম ডুবে গেলে অন্যান্যরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে নানি ও মামাতো বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও মিম ও তার খালা মারা যায়।’
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘গোসল করতে গিয়ে দুজন নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় মিম ও তার খালা চামেলি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘গোসল করতে গিয়ে দুজন নদে ডুবে যায়। পরে নিখোঁজ দুজনের মরদেহ পাওয়া গেছে।’

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গড়াই নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল পৌনে ১টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের জিলাপিতলা এলাকা সংলগ্ন গড়াই নদে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ দুজন হলেন, মিম খাতুন (১৩)। সে এলাকার গাফফার মোল্লার নাতনি ও খোকসা উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের দুধসারি গ্রামের মাসুদ রানার মেয়ে এবং নিখোঁজ চামেলি গাফফার মোল্লার মেয়ে ও একই ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামের তরিকুল রহমানের স্ত্রী।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী সূত্রে, আজ সোমবার দুপুর ১টার দিকে জিলাপিতলা এলাকা সংলগ্ন গড়াই নদে মিম, তাঁর খালা চামেলি, নানি রাজিয়া (৫৫) ও মামাতো বোন নীলা (১২) গোসল করতে যায়। গোসলের সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মিম। এ সময় মিমকে খুঁজতে গিয়ে নানি, খালা ও মামাতো বোন নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে নানি ও খালাতো বোনকে উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখে। এরপর নিখোঁজের প্রায় ৪ ঘণ্টা পরে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে মিমের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা এবং নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পরে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে খালা চামেলি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সদকী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মিম, তার খালা, বোন ও নানির সঙ্গে গোসল করতে নদে যায়। এ সময় মিম ডুবে গেলে অন্যান্যরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে নানি ও মামাতো বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও মিম ও তার খালা মারা যায়।’
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘গোসল করতে গিয়ে দুজন নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় মিম ও তার খালা চামেলি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
কুমারখালী থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘গোসল করতে গিয়ে দুজন নদে ডুবে যায়। পরে নিখোঁজ দুজনের মরদেহ পাওয়া গেছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে