রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গলায় রশি পেঁচিয়ে আব্দুর রহিম (৩৮) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের দক্ষিণ টাপুরচর গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহিম উপজেলার দক্ষিণ টাপুরচর গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি জামালপুর সদর থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
আব্দুর রহিমের ছোট ভাই জিয়াউর রহমান বলেন, তাঁর বড় ভাই জামালপুর সদর থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে মানসিক বিষাদে ভুগছিলেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তাঁদের বিষয়টি জানালে গত ১৮ মার্চ ২৮ দিনের ছুটি নিয়ে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তাঁর নিজের ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আব্দুর রহমানের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন শিল্পী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর স্বামী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। আব্দুর রহমান আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন সেটি কখনোই ভাবেননি তিনি। পরিবারের অজান্তে এ কাজ করেছেন তাঁর স্বামী। তাঁদের সংসারে তিনটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। প্রায় ১৮ বছর ধরে পুলিশে কর্মরত ছিলেন আব্দুর রহমান।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার বিকেলে আব্দুর রহিম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। রাত ৯টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, তাঁর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, আব্দুর রহমান মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গলায় রশি পেঁচিয়ে আব্দুর রহিম (৩৮) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের দক্ষিণ টাপুরচর গ্রামে তাঁর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রহিম উপজেলার দক্ষিণ টাপুরচর গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি জামালপুর সদর থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
আব্দুর রহিমের ছোট ভাই জিয়াউর রহমান বলেন, তাঁর বড় ভাই জামালপুর সদর থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে মানসিক বিষাদে ভুগছিলেন। পরে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তাঁদের বিষয়টি জানালে গত ১৮ মার্চ ২৮ দিনের ছুটি নিয়ে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তাঁর নিজের ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আব্দুর রহমানের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন শিল্পী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর স্বামী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। আব্দুর রহমান আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন সেটি কখনোই ভাবেননি তিনি। পরিবারের অজান্তে এ কাজ করেছেন তাঁর স্বামী। তাঁদের সংসারে তিনটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। প্রায় ১৮ বছর ধরে পুলিশে কর্মরত ছিলেন আব্দুর রহমান।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোন্তাছের বিল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার বিকেলে আব্দুর রহিম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। রাত ৯টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও বলেন, তাঁর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, আব্দুর রহমান মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২২ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে