শাহজাহান সাজু, কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেডেট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে একটিও খালি নেই। করোনা ইউনিটের দেড় শ আসনের মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১২৫ জন।
জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৯ জনের। এর মধ্যে জেলা সদরেই রয়েছেন ৪৬৫ জন। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঁইয়া (আরপি মেডিসিন) আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘গত কয়েক দিনে করোনা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হাসপাতালের ২ জন ডাক্তার, ২৫ জন নার্স, ৩ জন কর্মচারীসহ মোট ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে চিকিৎসাসেবা হুমকির মুখে পড়েছে।’
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১০৭ জনের। এ পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৮ জনের। মোট মারা গেছেন ৯১ জন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাতেই মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের।
এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২১৩ জন।
বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৪। এদের মধ্যে ৭৫ জন হাসপাতালে এবং ৯৪৯ জন হোম আইসোলেশনে আছেন। জেলার একমাত্র অষ্টগ্রাম উপজেলায় বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগী নেই।
বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত মোট ১ হাজার ২৪ জন রোগীর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭১২ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ১৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ৩৫ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২৩ জন, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৩১ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৬০ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ২৯ জন, ভৈরব উপজেলায় ৮৫ জন, নিকলী উপজেলায় ৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ২০ জন, ইটনা উপজেলায় ৯ জন এবং মিঠামইন উপজেলায় ২ জন রয়েছেন।
এদিকে গত ৭ ফেব্রুয়ারি টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৭৬ হাজার ৬৬৫ জন প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন।
এরপর গত ১৯ জুন থেকে সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৪০ জন সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেডেট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে একটিও খালি নেই। করোনা ইউনিটের দেড় শ আসনের মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ১২৫ জন।
জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬৬৯ জনের। এর মধ্যে জেলা সদরেই রয়েছেন ৪৬৫ জন। জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঁইয়া (আরপি মেডিসিন) আজকের পত্রিকাকে জানান, ‘গত কয়েক দিনে করোনা রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হাসপাতালের ২ জন ডাক্তার, ২৫ জন নার্স, ৩ জন কর্মচারীসহ মোট ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে চিকিৎসাসেবা হুমকির মুখে পড়েছে।’
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১০৭ জনের। এ পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৮ জনের। মোট মারা গেছেন ৯১ জন। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাতেই মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের।
এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২১৩ জন।
বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৪। এদের মধ্যে ৭৫ জন হাসপাতালে এবং ৯৪৯ জন হোম আইসোলেশনে আছেন। জেলার একমাত্র অষ্টগ্রাম উপজেলায় বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগী নেই।
বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত মোট ১ হাজার ২৪ জন রোগীর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭১২ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ১৩ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ৩৫ জন, তাড়াইল উপজেলায় ২৩ জন, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৩১ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৬০ জন, কুলিয়ারচর উপজেলায় ২৯ জন, ভৈরব উপজেলায় ৮৫ জন, নিকলী উপজেলায় ৫ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ২০ জন, ইটনা উপজেলায় ৯ জন এবং মিঠামইন উপজেলায় ২ জন রয়েছেন।
এদিকে গত ৭ ফেব্রুয়ারি টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৭৬ হাজার ৬৬৫ জন প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন।
এরপর গত ১৯ জুন থেকে সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৪০ জন সিনোফার্ম টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে