কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। সন্ত্রাস বিরোধী ও বিস্ফোরক আইন এবং পুলিশ অ্যাসল্ট আইনে করা এ মামলায় এজাহারনামীয় ১৯ এবং অজ্ঞাত আরও ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৭ নভেম্বর) রাতে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক অনিক কুমার সাহা বাদী হয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে-আবু নাসের সুমন (৪০), মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫), খুসরুজ্জামান শরিফ (৪৩), ইসরাইল মিয়া (৫৬), মারুফুল ইসলাম মারুফ (৩৩), মো. মাজহারুল ইসলাম (৫৮), আমিনুল ইসলাম আশফাক (৫২), মাহবুবুল আলম (৫০), ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন (২৫), মো. মামুন (৩২), মো. মোস্তাক আহম্মেদ শাহীন (৪৫), তারেকুজ্জামান পার্নেল (৩৫), সাজ্জাদ হোসেন ওরফে (৩৫), শাহ আলম (৩২), রাফিউল ইসলাম নওশাদ (৩০), হিমেল (৩০), নাজমুল আলম (৪৫), রুহুল হোসাইন (৩৪) ও অজ্ঞাত আরও ৬০-৭০ জন।
এর আগে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভায় ও দোয়া মাহফিলে মিছিল নিয়ে যোগ দেওয়ার সময় জেলা শহরের স্টেশন রোডে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পুলিশের লাঠিপেটা ও গুলিতে জেলা যুবদল সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফসহ যুবদল ও ছাত্রদলের ১৮ জন নেতা-কর্মী আহত হন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে ছোড়া ইটের আঘাতে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদসহ ১২ জন পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন। বেলা ১টার দিকে আলোচনা সভা শেষে নেতা-কর্মীরা বের হওয়ার সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের সুমন ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নুর গাড়ির চালক মো. সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করেন দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামসহ নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি, কেবল স্লোগান দেওয়ার অপরাধে পুলিশ লাঠিপেটা ও গুলি করেছে।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, ‘তারা মিছিল নিয়ে আসার সময় কিছু গাড়ি ভাঙচুর করতেছিল। এগুলো নিবৃত্ত করতে প্রথমে আমি তাদের বলি কিন্তু তারা তা শোনে নাই এবং আমাদেরকে ইটপাটকেল মারতে থাকে। তখন আমরা বাধ্য হয়ে সরকারি জানমাল ও জনগণের জানমাল রক্ষার স্বার্থে ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আবু নাসের সুমন ও সাইফুল ইসলাম নামে দুজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ মঙ্গলবার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

কিশোরগঞ্জে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। সন্ত্রাস বিরোধী ও বিস্ফোরক আইন এবং পুলিশ অ্যাসল্ট আইনে করা এ মামলায় এজাহারনামীয় ১৯ এবং অজ্ঞাত আরও ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৭ নভেম্বর) রাতে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক অনিক কুমার সাহা বাদী হয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে-আবু নাসের সুমন (৪০), মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫), খুসরুজ্জামান শরিফ (৪৩), ইসরাইল মিয়া (৫৬), মারুফুল ইসলাম মারুফ (৩৩), মো. মাজহারুল ইসলাম (৫৮), আমিনুল ইসলাম আশফাক (৫২), মাহবুবুল আলম (৫০), ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন (২৫), মো. মামুন (৩২), মো. মোস্তাক আহম্মেদ শাহীন (৪৫), তারেকুজ্জামান পার্নেল (৩৫), সাজ্জাদ হোসেন ওরফে (৩৫), শাহ আলম (৩২), রাফিউল ইসলাম নওশাদ (৩০), হিমেল (৩০), নাজমুল আলম (৪৫), রুহুল হোসাইন (৩৪) ও অজ্ঞাত আরও ৬০-৭০ জন।
এর আগে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভায় ও দোয়া মাহফিলে মিছিল নিয়ে যোগ দেওয়ার সময় জেলা শহরের স্টেশন রোডে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পুলিশের লাঠিপেটা ও গুলিতে জেলা যুবদল সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফসহ যুবদল ও ছাত্রদলের ১৮ জন নেতা-কর্মী আহত হন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে ছোড়া ইটের আঘাতে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদসহ ১২ জন পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন। বেলা ১টার দিকে আলোচনা সভা শেষে নেতা-কর্মীরা বের হওয়ার সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের সুমন ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নুর গাড়ির চালক মো. সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করেন দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামসহ নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি, কেবল স্লোগান দেওয়ার অপরাধে পুলিশ লাঠিপেটা ও গুলি করেছে।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, ‘তারা মিছিল নিয়ে আসার সময় কিছু গাড়ি ভাঙচুর করতেছিল। এগুলো নিবৃত্ত করতে প্রথমে আমি তাদের বলি কিন্তু তারা তা শোনে নাই এবং আমাদেরকে ইটপাটকেল মারতে থাকে। তখন আমরা বাধ্য হয়ে সরকারি জানমাল ও জনগণের জানমাল রক্ষার স্বার্থে ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আবু নাসের সুমন ও সাইফুল ইসলাম নামে দুজনকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ মঙ্গলবার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনাগামী আন্তনগর ডাউন রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় চার তরুণকে আটক করেছে জিআরপি পুলিশ। শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
৩৭ মিনিট আগে
পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) বিলুপ্ত হয়নি; বরং দলের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানাল দলটি। ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
৪১ মিনিট আগে
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে