প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জঃ কঠোর লকডাউনের মাঝেও কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের খুরশিদ মহল ব্রিজ এলাকায় মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় স্নানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে লকডাউন থাকায় পায়ে হেঁটে পূণার্থীরা ছুটে যান স্নান ঘাটে।
কোনও প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যার যার ইচ্ছামত স্নানোৎসব পালিত হচ্ছে। ভোর থেকে স্নান ঘাটে পূর্ণাথীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে পূর্ণাথীদের সংখ্যা কমে আসে।
ভগবানের কৃপা ও পাপমুক্তির আশায় শিশু ও বৃদ্ধরাও বাদ যায়নি স্নানোৎসবে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী গীতাপাঠ, মাল্যজপ, ধ্যান ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

কিশোরগঞ্জঃ কঠোর লকডাউনের মাঝেও কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের খুরশিদ মহল ব্রিজ এলাকায় মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় স্নানোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে লকডাউন থাকায় পায়ে হেঁটে পূণার্থীরা ছুটে যান স্নান ঘাটে।
কোনও প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যার যার ইচ্ছামত স্নানোৎসব পালিত হচ্ছে। ভোর থেকে স্নান ঘাটে পূর্ণাথীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে পূর্ণাথীদের সংখ্যা কমে আসে।
ভগবানের কৃপা ও পাপমুক্তির আশায় শিশু ও বৃদ্ধরাও বাদ যায়নি স্নানোৎসবে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী গীতাপাঠ, মাল্যজপ, ধ্যান ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে