প্রতিনিধি, খুলনা

খুলনার চার হাসপাতালে করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে করোনায় ২১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে একজন মারা গেছেন।
খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নয়জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আটজন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুজন ও আবু নাসের হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আটজন ও উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় মৃত ব্যক্তিরা হলেন নগরীর মাহাবুবুর রহমান (৫৫), দৌলতপুরের আবদুর রহিম (৬৫), লবণচরা এলাকার নিলুফা ইয়াসমিন (৫৫), রূপসার মকবুল খান (৮০), ফুলতলার দীপক কুমার দে (৬২), ফুলতলার রাজীব (২৮), মোংলার মেহেরুন্নেছা (৫৩) ও একই উপজেলার শুকলা (২৮)। এ ছাড়া উপসর্গ নিয়ে একজন মারা গেছেন।
হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৩ জন। এর মধ্যে রেড জোনে ১২৯, ইয়ালো জোনে ২৫, আইসিইউতে ১৯ ও এইচডিইউতে ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।
গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন নগরীর টুটপাড়ার আব্দুল কাদের (৬১), খুলনার রূপসার শামিমা আক্তার (৫০), বাগেরহাটের ফকিরহাটের সুভাষ দত্ত (৬১), যশোর সদরের সুজনপুরের নূরজাহান (৭৫), নড়াইলের কালিয়ার নাসিমা বেগম (৫৬), চুয়াডাঙ্গার দর্শনার আব্দুর রশিদ (৪৫), পিরোজপুরের নাজিরপুরের সাকিনা বেগম (৬৫), যশোর সদরের বেজপাড়ার দুলাল চন্দ্র ঘোষ (৬৫)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৪ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৯ ও এইচডিইউতে আছেন ১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। পিসিআর ল্যাবে ৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন রূপসার বাগমারার আনসার শেখ (৬০) ও দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহলের আমেনা বেগম (৮০)। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৮ জন। এর মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৩৫ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন ডুমুরিয়ার আবুল বাশার মোল্লা (৪৬), বটিয়াঘাটার রিজিয়া বেগম (৬৫) ও ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের সিরাজুল ইসলাম (৬৫)। এখানে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন রোগী। যার মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১০ জন। ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন ও বাড়ি ফিরেছেন একজন।

খুলনার চার হাসপাতালে করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে করোনায় ২১ জন এবং উপসর্গ নিয়ে একজন মারা গেছেন।
খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নয়জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আটজন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুজন ও আবু নাসের হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আটজন ও উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় মৃত ব্যক্তিরা হলেন নগরীর মাহাবুবুর রহমান (৫৫), দৌলতপুরের আবদুর রহিম (৬৫), লবণচরা এলাকার নিলুফা ইয়াসমিন (৫৫), রূপসার মকবুল খান (৮০), ফুলতলার দীপক কুমার দে (৬২), ফুলতলার রাজীব (২৮), মোংলার মেহেরুন্নেছা (৫৩) ও একই উপজেলার শুকলা (২৮)। এ ছাড়া উপসর্গ নিয়ে একজন মারা গেছেন।
হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৩ জন। এর মধ্যে রেড জোনে ১২৯, ইয়ালো জোনে ২৫, আইসিইউতে ১৯ ও এইচডিইউতে ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।
গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন নগরীর টুটপাড়ার আব্দুল কাদের (৬১), খুলনার রূপসার শামিমা আক্তার (৫০), বাগেরহাটের ফকিরহাটের সুভাষ দত্ত (৬১), যশোর সদরের সুজনপুরের নূরজাহান (৭৫), নড়াইলের কালিয়ার নাসিমা বেগম (৫৬), চুয়াডাঙ্গার দর্শনার আব্দুর রশিদ (৪৫), পিরোজপুরের নাজিরপুরের সাকিনা বেগম (৬৫), যশোর সদরের বেজপাড়ার দুলাল চন্দ্র ঘোষ (৬৫)।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৪ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৯ ও এইচডিইউতে আছেন ১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। পিসিআর ল্যাবে ৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন রূপসার বাগমারার আনসার শেখ (৬০) ও দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহলের আমেনা বেগম (৮০)। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৮ জন। এর মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৩৫ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন ডুমুরিয়ার আবুল বাশার মোল্লা (৪৬), বটিয়াঘাটার রিজিয়া বেগম (৬৫) ও ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের সিরাজুল ইসলাম (৬৫)। এখানে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন রোগী। যার মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১০ জন। ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন ও বাড়ি ফিরেছেন একজন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে